এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > গেরুয়া শিবিরের অন্দরে তৎপরতা – রাজ্য নেতৃত্ত্বে বড়সড় রদবদলের জল্পনা তুঙ্গে

গেরুয়া শিবিরের অন্দরে তৎপরতা – রাজ্য নেতৃত্ত্বে বড়সড় রদবদলের জল্পনা তুঙ্গে



রাজ্যের গেরুয়া শিবিরকে নিয়ে জল্পনাটা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল আর এবার তা যেন হঠাৎ গতি পেল। সূত্রের খবর, বেশ কিছু জেলা সভাপতিকে সারানোর পাশাপাশি বাংলার রাজ্য কমিটিতেও পরিবর্তন বেশ বড়সড় পরিবর্তন হতে চলেছে। এতদিন ‘ধীরে চলো’ নীতি থেকে হঠাৎ করে ‘ফিফথ গিয়ারে’ কেন এই পরিবর্তনের ভাবনা? উত্তর পাওয়া গেল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজ্য নেতার কথায়।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ওই নেতার কথা অনুযায়ী, বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এইসব সাংগঠনিক পরিবর্তনের সময় সঙ্ঘের সঙ্গে পরামর্শ করেই তা করা হয়। এতদিন সঙ্ঘের কাছ থেকে সবুজ সঙ্কেত মিলছিল না, কারণ বর্তমানে বিভিন্ন পদে থাকা অনেকেই সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ এবং সংঘের পরামর্শেই তাঁদের পদে বসানো হয়েছিল। এই অবস্থায় মেয়াদ শেষের আগে যদি তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তা ঘুরিয়ে সংঘের দিকে আঙ্গুল তোলার শামিল হবে।

কিন্তু মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় দুর্ঘটনার জেরে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেছে শীর্ষনেতৃত্ত্বের। বর্তমান নেতৃত্ত্বের একটা অংশকে দিয়ে কাজ হবে না একথা স্পষ্ট – আর তাই এবার দিল্লি থেকে নির্দেশ এসেছে যে বা যাঁরা কাজ করতে পারছেন না, তাঁদের সরিয়ে দিতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই গতকাল এক গোপন বৈঠক ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে – সুতরাং পরিবর্তন যে অবশ্যম্ভাবী সেই দেওয়াল লিখনটা কার্যত স্পষ্ট।

কিন্তু বিজেপির গঠনতন্ত্র কি বলছে? ওই নেতার কথায়, আমাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এইভাবে কাউকে অপসারিত করা যায় না, তাই এই বৈঠককে অমিত শাহজির ৩ রা অগাস্টের সভার প্রস্তুতি বৈঠক বলে জানানো হচ্ছে। কিন্তু কালকের বৈঠকে কাদের কাদের সরিয়ে দেওয়ার কথা আলোচনা হয়েছে একটু ভালো করে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন। তাছাড়া, এতদিন চুপচাপ থাকার পর ড়িঘড়ি আগামী ২৩ এবং ২৪ জুলাই বিজেপির রাজ্য সম্মেলনের ডাক দেওয়া হল কেন? সেকথাটাও ভেবে দেখুন।

ওই নেতার আরো দাবি, সবথেকে বড় কথা কৈলাশজি রাজ্যে এসেছেন। সেদিনের দুর্ঘটনার পর দলের দুই হেভিওয়েট শীর্ষনেতার লড়াই এখন আর কারোর অজানা নয়। ওই একটা ঘটনায় প্রমান করে দিয়েছে রাজ্যের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না শীর্ষনেতৃত্ত্ব। বাংলায় বিজেপির ভালো হাওয়া আছে, কিন্তু সংগঠনের সঠিক স্তরে সঠিক লোক না থাকলে যে সেই হাওয়া ইভিএম পর্যন্ত পৌঁছাবে না তা শীর্ষনেতৃত্ত্বের কাছে জলের মত স্পষ্ট। ফলে, এরপরেও যদি সাংগঠনিক পরিবর্তন না হয় – তাহলে বোধহয় কর্মীদের মনবল আর ধরে রাখা যাবে না।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!