এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাচ্ছেন চার হেভিওয়েট নেতা-নেত্রী?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাচ্ছেন চার হেভিওয়েট নেতা-নেত্রী?



ত্রিপুরাতে ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েই উৎসাহী বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের স্লোগান হয়ে গেছে ‘এবার বাংলা, পারলে সামলা’। এমনকি দিলীপ ঘোষ-মুকুল রায়ের মতো শীর্ষনেতারা ঘোষণা করে দিয়েছেন ২০২১ সালে বিধানসভায় রাজ্যের ক্ষমতা বদলের সলতে পাকানো শুরু হবে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই। সেই কাজ করতে গেলে শুধুমাত্র নিজেদের কর্মী-সমর্থকই নয়, শাসকদলের এক বড় অংশ ভাঙাতে হবে সেকথা স্বীকার করে ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ত্ব। এরই মাঝে শাসকদলের ৪ নেতা-নেত্রীর সঙ্গে দলের সম্পর্কে হঠাৎ অবনতি হওয়ায় জল্পনা তীব্র, তাহলে কি পঞ্চায়েতের আগেই ভাঙন ধরবে শাসকদলে? আর এই চার নেতা যদি দল ছাড়েন, তাহলে কি তাঁদের পরবর্তী গন্তব্য গেরুয়া শিবির? আসুন দেখে নেওয়া যাক, কোন চার নেতানেত্রীর নামে জল্পনা ছড়াচ্ছে –

১. শোভন চট্টোপাধ্যায় – একদা মুখ্যমন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কলকাতার মেয়র ও রাজ্যের গুরুত্ত্বপূর্ন মন্ত্রী। নারদ কেলেঙ্কারি ও স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় বিপর্যস্ত। শোনা যাচ্ছে তাঁর পদত্যাগপত্র তৈরি, আগামী বুধবারেই তা তুলে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন বলেও গুঞ্জন।

২. দীনেশ ত্রিবেদী – ব্যারাকপুরের দাপুটে সাংসদ, কিছুদিন আগেই লোকসভায় দেশের সেরা সাংসদের পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁকেই কেন্দ্রে রেলমন্ত্রী করেন। কিন্তু দলীয় পথে না হেঁটে শীঘ্রই খোয়ান রেলমন্ত্রীর পদ। কিছুদিন আগেই আবার দলীয় পথের বিপরীতে হেঁটে প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে মোদী সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

৩. বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় – তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকের শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করে ‘ডার্টি পলিটিক্সের’ আওয়াজ তোলেন, দাবি করেন শাসকদলের রাজনীতিতে তিনি বাড়ৈ বেমানান। সাথে সাথে দল শোকজ করে তাঁকে, তারপর থেকেই সুর নরম তাঁর। তবে অস্বস্তিটা থেকেই যাচ্ছে।

৪. বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় – ইনিই মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু। তৃণমূল কংগ্রেসের কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন ওয়েবকুপার বিশেষ সদস্য। মেয়রের দুর্দিনে তাঁর পাশে থাকতে চান, এমনকি শোভনবাবু পদ হারালেও তাঁকে ছেড়ে যাবেন না। তাই শোভনবাবু যদি জল্পনাকে বাস্তবতা দিয়ে দল ছাড়েন বৈশাখীদেবীও একই পথে হাঁটতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা।

উপরোক্ত চার নেতার সঙ্গেই দলের একটা ‘মনোমালিন্যের’ খবর প্রায় সব সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত, কিন্তু তাঁদের দল ছাড়ার খবর এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই, এই নিয়ে তাঁরা কোনো সরকারি মন্তব্যও করেননি এখনো পর্যন্ত। শুধুমাত্র কলকাতার এল ওয়েব পোর্টালে জল্পনা বাড়িয়ে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই খবরের সত্যতা বা সূত্র সম্পর্কে ওই ওয়েব পোর্টালে কিছু লেখা নেই, প্রিয়বন্ধু বাংলার তরফেও এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই পোর্টালে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!