এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > আবার কি হতে চলেছে কংগ্রেস-বামফ্রন্ট হাত ধরাধরি?

আবার কি হতে চলেছে কংগ্রেস-বামফ্রন্ট হাত ধরাধরি?



সামনেই আবার তিনটি উপনির্বাচন হতে চলেছে। রাজ্যে কংগ্রেসর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।ওদিকে বাড়তি চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি। রাজ্যে ক্রমশ শাসকদল তৃণমূলের প্রধান বিরোধী মুখ হয়ে উঠছে বিজেপি। যতদূর রাজনৈতিক কানাঘুষোয় যতদূর শোনা যাচ্ছে কংগ্রেস এই অবস্থায় বামেদের সাথে জোট করতে ইচ্ছুক।আর তাই সিপিএমের কাছে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে তারা। ওদিকে বামেরাও একটু চিন্তায় কি করবেন তা নিয়ে কারণ তাদের এখন এগোলে সর্বনাশ আর পিছলে নির্বংশ হবার আশঙ্কা রয়েছে বলে রসিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন। কেননা জোটে হলে কংগ্রেস যে প্রস্তাব দিয়েছে আদোও তাতে ফায়দা হবে কি হবে না তা বোঝা যাচ্ছে না আবার জোট না হলে বিজেপি বাড়তি সুবিধা পেয়ে যাবে। সুতরাং সব মিলিয়ে বেশ চাপ রয়েছেন বাম নেতৃত্ত্ব বলে খবর আর তাই স্বাভাবিক ভাবেই জোটের বিষয়টা ঝুলে রয়েছে। যার ফলে নাকি কংগ্রেস ভেতরে ভেতরে অনেকটাই ক্ষুব্ধ। কারণ তারা ব্যাপারটা তড়িঘড়ি মেটাতে চাইছেন। তারা মনে করছেন দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও খুব তাড়াতাড়িই সবং,নোয়াপাড়া বিধানসভা এবং উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। উলুবেড়িয়া আসনটি তৃণমূলের হাতে থাকলেও বাকি দুটি বামেদের সমর্থনে কংগ্রেস তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল ২০১৬ তে।
এবার তাই অধীর চৌধুরী ও আব্দুল মান্নান চাইছেন যে বিধানসভা দুটিতে কংগ্রেস প্রার্থী দেবে আর লোকসভা কেন্দ্রে বামেরা প্রার্থী দেবে। আর এই প্রস্তাবই পাঠানো হয়েছে বামেদের যা নিয়ে বামেরা গড়িমসি করছে বলে খবর। তবে যতদূর জানা যাচ্ছে বাম নেতৃত্ত্বের অনেকেই এই জোটে আগ্রহী, কেননা সম্প্রতি দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভার উপনির্বাচনে একা লড়ে রীতিমত পর্যদুস্ত হয়েছে বামেরা। আর সেখানে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তাই দলের অন্দরে বির্তক শুরু হয়েছে জোট নিয়ে। একদল চাইছেন জোট হোক কারণ তারা আর বিজেপি কে বাড়তি সুবিধা দিতে রাজি নন। আরেকদল চাইছেন জোট না হোক কেননা তারা আবার এতে কংগ্রেসের সুবিধা দেখছেন। তবে সব জোট জল্পনা উড়িয়ে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলছেন, এখনও সময় আছে, এই নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে, এখনও কোনও আলোচনা হয়নি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!