এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করোনার কারণে নাভিশ্বাস! এবার কি সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চলেছে সাড়ে ৭ হাজার করে টাকা?

করোনার কারণে নাভিশ্বাস! এবার কি সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চলেছে সাড়ে ৭ হাজার করে টাকা?



করোনা ভারতে প্রবেশ করার কিছু দিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাবধানতা হেতু সারা দেশ জুড়ে লকডাউন জারি করে দেন। সেই লকডাউন এখনো পর্যন্ত বর্তমান। তবে লকডাউন এর ফলে করোনা পরিস্থিতি এড়ানো গেলেও, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কিন্তু ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে বলে খবর। এমনিতেই লকডাউন এর ফলে মানুষ গৃহবন্দী বর্তমানে। ফলে রুজি রোজগার বন্ধ। এবং সবথেকে বিপদে পড়েছেন দেশের দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো।

তবে লকডাউন চললেও তার মধ্যেই করোনা সংক্রমণের সংখ্যা কিন্তু বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন লকডাউন থাকার কারণে বেশকিছু মানুষ নিজেদের জীবিকা হারিয়েছেন। বলাই বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। অন্যদিকে দেশের অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আগামী দিনের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলে। এই অবস্থায় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী মোদি সরকারের কাছে আবেদন জানালেন, যেসব মানুষ ইতিমধ্যে তাঁদের জীবিকা হারিয়ে ফেলেছেন, তাঁদেরকে মোদি সরকারের তরফে যেন আর্থিক সহায়তা করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন, লকডাউনের ফলে দেশে বেকারত্বের সংখ্যা প্রচুর বেড়ে যাবে। ঠিক একই দাবি এদিন কংগ্রেসের সভায় করলেন সোনিয়া গান্ধী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন নরেন্দ্র মোদিকে প্রত্যেকটা পরিবারের জন্য সাড়ে সাত হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলেন কংগ্রেস নেত্রী। এদিন কংগ্রেস নেত্রী জানিয়েছেন, লকডাউনের প্রথম ধাপেই প্রায় 12 কোটি মানুষ নিজেদের কাজ হারিয়েছেন। বর্তমানে ভারতীয় অর্থনীতি যেভাবে পিছিয়ে পড়ছে, তাতে বোঝাই যাচ্ছে আগামী দিনে বেকারত্বের হার আরো বাড়বে।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তাই সেই পরিবারগুলিকে সামান্য কিছু অর্থ অনুদান দেওয়া উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের। কংগ্রেস সভানেত্রী এদিন পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন। তিনি জানান, বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছেন। তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। এই অবস্থায় তাঁদের খাবার যোগান এবং কিছু অর্থসংস্থান করা উচিত। শুধু তাই নয়, কংগ্রেস সভানেত্রী দাবি করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষকেরাও মারাত্মক সংকটে পড়েছেন। তাই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী দাবি করেছেন আগামী দিনের জন্য প্রতিটি কৃষককে আর্থিক অনুদান দেওয়া দরকার।

যদিও ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের অসহায় মানুষদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। দেশের প্রতিটি নিম্নবর্গীয় মানুষ যাতে খেতে পান, তার জন্য বিনামূল্যে তাঁদের চাল-ডাল দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, একথা ঠিক আগামী দিনে ভারতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা রীতিমত টালমাটাল অবস্থায় পৌঁছে যাবে। অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, তাঁরা আগামী দিনের কথা ভেবে ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিকে বাঁচানোর জন্য বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।

অন্যদিকে, দেশের করোনা পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে কেন্দ্র-রাজ্য উভয়ই তৎপরতা দেখাতে শুরু করেছে। আপাতত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে দেশের ওয়াকিবহাল মহল। তবে, যেভাবে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, করোনা আবহে সাধারণ মানুষের দুর্দশার কথা তুলে ধরে – কেন্দ্র সরকারের উপর সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৭ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা বললেন – এটা কেন্দ্র সরকারের উপর চাপ বাড়ল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। নরেন্দ্র মোদী সরকার কি সত্যিই এই পদক্ষেপ নেবে? সেদিকেই আপাতত চোখ থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!