এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ঘুঁটি সাজানো হয়ে গেছে! যে কোন দিন মুকুল-শঙ্কুর হাত ধরে ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে?

ঘুঁটি সাজানো হয়ে গেছে! যে কোন দিন মুকুল-শঙ্কুর হাত ধরে ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে?



বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ১৮ টি আসন জিতে রাজ্য-রাজনীতিকে চমকে দিয়েছে বিজেপি। মাত্র ৪ টি আসন বেশি পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল। তার থেকেও বড় কথা লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে রাজ্যের ১২১ টি বিধানসভাতে এগিয়ে রয়েছে গেরুয়া শিবির। এছাড়াও শাসকদলের এগিয়ে থাকা আরও অন্তত ৬০ টি বিধানসভা আসন রয়েছে যেখানে ব্যবধান ১০ হাজার ভোটের কম।

আর তাই, এতদিন মুকুল রায় যে দাবি করছিলেন, সেই পরিবর্তনের পরিবর্তন করার দাবি যেন কোথাও গিয়ে মান্যতা পেয়ে গেছে। আর এরপরেই তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট বিধায়ক-নেতাদের, কার্যত মুকুল রায়ের কাছে ফোনের লাইন লেগে গেছে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। ইতিমধ্যেই শাসকদলের দুই বিধায়ক ও কংগ্রেসের টিকিটে জিতে শাসকদলে যোগ দেওয়া এক বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করে ফেলেছেন। এছাড়াও, মুকুল রায় আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন নবনির্বাচিত একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগদানের জন্য যোগাযোগ করেছেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিকে সূত্রের খবর, মুকুল রায়ের ব্যাক অফিস আপাতত সামাল দিচ্ছেন রাজনীতিতে তাঁর প্রিয় শিষ্য বলে পরিচিত শঙ্কুদেব পণ্ডা। এই দলবদলের ব্যাপারে তাঁর মস্তিস্ক ও যোগাযোগও দারুনভাবে কাজ করছে বলে দাবি একাধিক নেতার। কিন্তু এই ব্যাপারে আপাতত মুখ খুলতে নারাজ শঙ্কুদেব পণ্ডা নিজে। ইঙ্গিতবাহী শুধু জানালেন – বৃক্ষ কিবা তবে নাম? ফলেন পরিচয়তে! তবে মুকুল-শঙ্কুর ঘনিষ্ঠ একাধিক নেতার দাবি – ঘুঁটি সাজানো হয়ে গেছে, যে কোন দিন একসঙ্গে নাকি ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে।

কিন্তু, এঁরা কারা? কোন কোন কেন্দ্রের বিধায়ক? সেই ব্যাপারে কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতার কথায়, ভাঙনটা গোটা রাজ্যজুড়েই হতে চলেছে। তবে শুধু বিধায়করাই নন, তাঁদের এলাকার প্রায় সব গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির রঙও নাকি গেরুয়া হতে চলেছে। ওই বিধায়করা নাকি শাসকদলের প্রায় পুরো সংগঠনটা নিয়েই নিজের নিজের এলাকায় যোগদান করবেন। গেরুয়া শিবিরের এক নেতা তো বলেই ফেললেন, যেভাবে এগোচ্ছে আগামীদিনে ক্যাম্প অফিস খুলে যোগদান করাতে হবে! সবমিলিয়ে দলবদলের খবর নিয়ে আপাতত টানটান উত্তেজনা রাজ্য-রাজনীতিতে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!