এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অন্য রাজ্যে দলের সম্প্রসারণ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের

অন্য রাজ্যে দলের সম্প্রসারণ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের



একদা তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায় দল ছাড়ার পরে জানিয়েছিলেন তাঁর দল ছাড়ার অন্যতম বড় কারণ রাজ্যের শাসকদলের ‘কূপমন্ডুকতা’ অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের বাইরে তৃণমূল নেত্রীর দলের সম্প্রসারণে অনীহা। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠন আছে, এমনকি গত ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের বাইরে বহু জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীও দিয়েছিল কিন্তু প্রায় সব জায়গাতেই সেইসব প্রার্থীদের জামানত জব্দ হয়। ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সংগঠন বিস্তারে মেপে পা ফেলতে চাইছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি, এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, গত শনিবার রাজস্থানে তৃণমূলের ‘দল করতে চেয়ে’ অন্যতম শীর্ষনেতা সুব্রত বক্সীর কাছে ফোন করে আগ্রহ প্রকাশ করেন এক ‘আগ্রহী’। সাথে জানতে চান রাজস্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দায়িত্ত্বপ্রাপ্ত নেতা কে। এরপরেই সুব্রতবাবুর কড়া জবাব, উনি রাজস্থান থেকে তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়াই করতে পারবেন না, এরপরেই নাকি ফোনালাপ থেমে যায়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুব্রতবাবু ওই সংবাদমাধ্যমকে জানান, যত ছোটই হোক আমরা আগে সংগঠন তৈরি করতে চাই, নির্বাচনে লড়াই তো করাই যায়, কিন্তু সংগঠন না থাকলে ভোটপ্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা স্থায়ী হয় না। প্রসঙ্গত এর আগে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে দলের সম্প্রসারণ ও সংগঠনের দিকটা দেখতেন মুকুল রায়। কিন্তু তিনি বিজেপিতে যোগ দেবার পরে আপাতত শাসকদল এ নিয়ে মেপে পা ফেলতে চাইছে বলে সূত্রে খবর। ত্রিপুরা, ওড়িশা বা ঝাড়খণ্ডের মত পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতেই আপাতত প্রাথমিকভাবে সংগঠন বিস্তারে মন দেওয়া হবে, যখন দলের শীর্ষনেতৃত্ত্ব অনুধাবন করবেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মত সাংগঠনিক বল তৈরি হয়েছে তখনই তা ভাবা হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!