এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > করোনার জেরে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দী সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতারা কি করছেন?

করোনার জেরে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দী সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতারা কি করছেন?



করোনার থাবা থেকে বাঁচতে রাজ্যে রাজ্যে শুরু হয়েছে লকডাউন, মানুষজন কার্যত গৃহবন্দী। শুধু মানুষজন নয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে অবশ্য বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে মাস্ক, সানিটাইজার বিলি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করেছেন প্রশাসন। তাই, বর্তমানে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিল করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

ইতিমধ্যে, রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনতা কার্ফুর ডাক দেন দেশজুড়ে। ওই দিন স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি ছিলেন দেশবাসী। গৃহবন্দী ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও। তবে গৃহবন্দী থাকলেও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই প্রতি মুহূর্তে জেলায় বসে গোটা রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির খোঁজখবর চালিয়েছেন তাঁরা বলে জানা যাচ্ছে।

পাশাপাশি বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি জানতে, নজর রেখেছেন টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা বিভিন্ন খবরের কাগজের নিজস্ব অ্যাপে। তবে মালদহের দুই লোকসভা কেন্দ্রের সংসদ সদস্য খগেন মুর্মু ও আবু হাসেম খান চৌধুরী, কেউই জেলায় ছিলেন না। ডালুবাবুর এক ব্যক্তিগত কর্মী বলেন, তিনি কলকাতায় রয়েছেন। এদিন বাড়ির বাইরে বের হননি। বিজেপির সংসদ সদস্য খগেন মুর্মু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি দিল্লিতে রয়েছি। কর্মীদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ রেখেছি।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

খগেনবাবু আরও জানিয়েছেন, আমার লোকসভা কেন্দ্রের অনেক বাসিন্দা ফোন করেছেন। তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি। করোনা রুখতে সচেতনতামূলক প্রচার চালাতে অনুরোধ করেছি। অন্যদিকে, সদ্য রাজ্যসভার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৌসম নুর এদিন ছিলেন তাঁর কোতোয়ালির বাড়িতেই। তিনি বলেন, এদিন ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। বাহ্যিক ব্যস্ততা কম ছিল বলে ওদের যেমন পড়াশোনাতেও সাহায্য করেছি, তেমনই নিজের হাতে ওদের জন্য বিশেষ কিছু পদও রান্না করেছি।

তিনি আরও জানান, দলের নেতাদের বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দল কীভাবে এগোবে সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান নীহার ঘোষ এদিন সকাল থেকে অবশ্য ঘুরে বেড়ান মালদহ শহরের বেশ কিছু এলাকায়। পুরসভা এলাকার কোথায় কোথায় পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন তা দেখার জন্য আলাদা করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিন সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি জেলা নেতারাও বাড়িতেই ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁরাও করোনা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলীয় কর্মীদের মোবাইলের মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে স্থানীয় নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে। করোনা রুখতে সবাই যে দলমত নির্বিশেষে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত – তা স্পষ্ট করেছেন সবাই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!