এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > পুরনো ভোটার কার্ডকে টেক্কা দিতে নবরূপে হাজির হচ্ছে নতুন ভোটার কার্ড। জানুন বিস্তারিত

পুরনো ভোটার কার্ডকে টেক্কা দিতে নবরূপে হাজির হচ্ছে নতুন ভোটার কার্ড। জানুন বিস্তারিত



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড ভারতের নির্বাচন কমিশন দ্বারা জারি করা একটি পরিচয় দলিল। এটি ভারতীয় নাগরিকদের ১৮ বছর বয়েস প্রদান করা হয়, যা প্রাথমিকভাবে ভারতীয় নাগরিকদের দেশের নাগরিক হিসেবে একটি পরিচয় প্রমাণ হিসাবে কাজ করে। এছাড়া ভোট অগ্রাধিকার এবং জাতীয় নির্বাচন ক্ষেত্রেও এটি কাজে লাগে। এটি ব্যক্তির বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে সাধারণ পরিচয়, ঠিকানা এবং বয়সের প্রমাণ হিসাবেও কাজ করে। এছাড়া ইলেক্টোরাল ফটো আইডেন্টিটি কার্ড (ইপিক) নামেও এটি পরিচিত হয়। তবে এবার সেই কার্ডকেই নবরূপে হাজির করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এতদিন ধরে দেশের নাগরিকদের কাছে যে ভোটার কার্ড আসতো, তা ছিল সাদা কালো। তবে এবার নতুন ভোটার কার্ড হবে রঙিন। সেইসঙ্গে আগের পাতলা কার্ডের লামিনেশনের তুলনায় এবারের কার্ডের মধ্যে গঠনগত দিক থেকে একটু পার্থক্য হবে বলে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে আগের থেকে নতুন কার্ড মোটা হবে বলে জানা যায়। তবে এই কার্ডকে পিসিবি নির্মিত ড্রাইভিং লাইসেন্স বা প্যান কার্ডের মত কার্ডের সঙ্গে তুলনা করা যাবে এবং এই কার্ডগুলোর আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেও নতুন ভোটার কার্ড নিয়ে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয় জানা গেছে পুরনো কার্ডের ইউনিক নম্বরের সঙ্গে নতুন ভোটার কার্ডে থাকবে ১০ সংখ্যার একটি আইডি নম্বর এবং একটি বারকোড। যা স্ক্যান করলেই ভোটার গ্রাহকের যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে। তবে এরই সঙ্গে নতুন কার্ডে থাকবে একটি গোপন নম্বর, যা খালি চোখে দেখা যাবে না। তবে বিশেষ পদ্ধতিতে এই নম্বর থেকে ভোটারের যাবতীয় তথ্য সম্পর্কে জানা যাবে তবে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভোটার কার্ড নকল করার যে প্রবণতা দেখা যায়, তা অনেকটাই কম করা সম্ভব হবে। কারণ এই গোপন নম্বর খালি চোখে দেখা না যাওয়ায় এটি নকল করা অনেক বেশি কঠিন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে আগে ভোটার কার্ডের থেকে এই কার্ডটি অনেক বেশি সুরক্ষিত হবে বলেও দাবি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ডিজিটাল ভারত গড়ার স্বপ্নে মোদি নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে সম্প্রতি ভোটার কার্ডে নতুন রূপ দেওয়ার এই পদক্ষেপও সম্ভবত তাঁর সেই ডিজিটাল ভারত গড়ার স্বপ্ন পূরণকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে পুরনো ভোটার কার্ড বন্ধ হয়ে যাওয়া সংক্রান্ত কোন তথ্য ঘোষণা করা হয়নি কমিশন থেকে। তাই আপাতত পুরনো ভোটার কার্ড আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে বলেই জানা গেছে। পরবর্তীকালে নতুন কার্ড সরবরাহ করার মত পরিকাঠামো গঠন করা হলে তবেই নতুন কার্ড সকলকে দেওয়া যাবে। তবে অন্যদিকে ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রায় ২ লক্ষ ৬৫ হাজার নতুন ভোটারদের এই পরিচয়পত্র বিলি শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

সেইসঙ্গে পুরনো ভোটাররা এই কার্ড পেতে গেলে পুরনো কার্ডের বিনিময় ২৫ টাকা দিতে হবে বলে একটি নতুন ঘোষণা করা হয়েছে কমিশন থেকে। তবে সকলেই যদি নতুন কার্ড করাতে চান তবে সেক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিকাঠামোর প্রয়োজন হয়, যা এখনো গড়ে ওঠেনি বলেই জানা গেছে কমিশনের মাধ্যমে। তাই আপাতত কেবল নতুন ভোটারদের জন্যই এই কার্ড দেওয়া হবে, পুরনো ভোটারদের জন্য নয়। তবে পরবর্তীকালে নতুন কার্ড প্রতি মানুষকে বিলি করার মত পরিকাঠামো গঠন করা হলে সকল মানুষের উদ্দেশ্যেই নতুন কার্ড বিলি করা হবে বলে জানা যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!