এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > ভোটের আগে তৃণমূল ছাত্র দিবসের অনুষ্ঠান করল জমিয়ে! বেধড়ক মার খেলেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা!

ভোটের আগে তৃণমূল ছাত্র দিবসের অনুষ্ঠান করল জমিয়ে! বেধড়ক মার খেলেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – একই দিনে প্রতিষ্ঠা দিবস কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের। কিন্তু এবার কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের ছাত্র সংগঠনের সমাবেশ ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত করা হয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কোনো বাধা আসেনি। তবে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের সমাবেশে পুলিশের হাতে মার খেলেন হাত শিবিরের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, মহাজাতি সদনে সভা করার অনুমতি না পেয়ে এদিন পাঁচিল টপকে ভেতরে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের পতাকা তোলেন দলের নেতাকর্মীরা। আর সেখানেই পুলিশের হাতে মার খান তারা। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে‌। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্বরা‌। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রতিবার তৃণমূল হোক বা কংগ্রেস প্রতিটি ছাত্র সংগঠনের সমাবেশ জমায়েত করে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের কারণে সেই সমস্ত কিছু সম্ভব হয়নি। ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে তৃণমূল তাদের কর্মসূচি সেরেছে।

কিন্তু মহাজাতি সদনে সভা করার অনুমতি না পেয়ে পরবর্তীতে প্রাচীর টপকে সেখানে পতাকা উত্তোলন করেন কংগ্রেসের নেতৃত্বরা। আর এতেই বাধে বিপত্তি। পুলিশের পক্ষ থেকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের সভাপতি সৌরভ প্রসাদ সহ প্রায় 30 জন কংগ্রেস নেতাকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে সৌরভ বাবু গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে খবর।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর এখানেই কংগ্রেসের একাংশ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে, যেখানে তৃণমূল ভার্চুয়ালের মাধ্যমে তাদের সভা করছে, সেখানে তারা মহাজাতি সদনে এইরকম কর্মসূচি করলেও কেন তাদের পুলিশের পক্ষ থেকে আক্রমণ করা হল! কেন এইভাবে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে হাত শিবির। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান প্রদীপ ভট্টাচার্য্য এআইসিসির সাধারণ সম্পাদককে একটি রিপোর্ট পেশ করেছেন।

এদিন এই বিষয়ে প্রদীপ বাবু বলেন, “তৃণমূলের হাতে পুলিশ প্রশাসন ব্রিটিশ পুলিশের মত আক্রমণ করছে‌। ছাত্র পরিষদের কোনো বিক্ষোভ ছিল না। মহাজাতি সদনে ভাঙচুর করতেও তারা যায়নি। পতাকা তুলতে যাওয়ায় পুলিশ তাদের মারধর করেছে। কংগ্রেসের ছাত্রসংগঠন যাদের রাজনীতির আঁতুড়ঘর, তারাই পুলিশ দিয়ে ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভামঞ্চে ভাঙচুর করলে। তৃণমূলকে নিয়ে কোনো পদক্ষেপ করার সময় এআইসিসি যেন বাংলায় এমন দ্বিচারিতা কথা মনে রাখে।”

সব মিলিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের এহেন উদ্ধত আচরণ এবং তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস সফলতার সঙ্গে পালন হলেও কেন কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস এই আঘাত নেমে এল, তা নিয়ে বাংলার রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, প্রদেশ কংগ্রেসের রিপোর্ট পাওয়ার পর কংগ্রেস নেতৃত্ব এই ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!