এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > ভোটের আগে এবার কংগ্রেসে বড়সড় ফাটল ধরালো গেরুয়া শিবির, দলত্যাগ তরুণ কংগ্রেস নেতার

ভোটের আগে এবার কংগ্রেসে বড়সড় ফাটল ধরালো গেরুয়া শিবির, দলত্যাগ তরুণ কংগ্রেস নেতার



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্টএ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের হারের পর যখন ক্রমাগত মাথাচাড়া দিচ্ছে গেরুয়া শিবিরের ভাঙনের গুঞ্জন, সেসময় একেবারে উল্টো ছবি উত্তরপ্রদেশে। সামনের বছর উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন, আর তার আগেই সেখানকার অন্যতম বিরোধী শক্তি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন অন্যতম কংগ্রেস নেতা জিতিনপ্রসাদ। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকরূপে নিয়োগ হয়েছিলেন।

যদিও তিনি এ রাজ্যে কংগ্রেসের পরিস্থিতি দেখে প্রথম থেকেই প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, আব্বাস সিদ্দিকীর দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট বাঁধা মোটেই ঠিক হয়নি। আর এবার সেই জিতিনপ্রসাদ যাকে কংগ্রেসের তরুণ নেতা বলা হতো তিনি এবার গেরুয়া শিবিরে চলে গেলেন। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পর আরও এক তরুণ কংগ্রেস নেতা চলে গেলেন বিজেপিতে। এর আগেও অবশ্য বহুবার জিতিনপ্রসাদকে নিয়ে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল যে তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে। মঙ্গলবার জিতিনপ্রসাদ বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের সঙ্গে দেখা করেন। আর তারপর কার্যত সমস্ত গুঞ্জনকে শীলমোহর দিয়ে জিতিনপ্রসাদ যে বিজেপিতেই যাচ্ছেন তা প্রকাশ হয়।

2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেও শোনা যাচ্ছিল, তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে। বিগত কুড়ি বছর ধরে জিতিনপ্রসাদ কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু দলে থেকেই তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মুখ খুলেছেন। প্রসঙ্গত গত বছর কংগ্রেসের 23 জন শীর্ষস্থানীয় নেতা সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে পূর্ণ সময়ের জন্য একজন নেতার দাবি করেন। পরে অবশ্য ওই 23 জন বিক্ষুব্ধ নেতাকে G-23 নামে জানা যায়। জানা গিয়েছে, এই G-23 গ্রুপের সদস্য ছিলেন জিতিনপ্রসাদ। যদিও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জিতিনপ্রসাদকে বাংলায় নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এবারের ভোটে বাংলায় কংগ্রেস একটিও আসন পায়নি যা অত্যন্ত আশ্চর্যের বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আপাতত কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ যেভাবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন, তা নিয়ে এই মুহূর্তে চলছে ব্যাপক সমালোচনা রাজ্য রাজনীতিতে। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের মধ্যে কিন্তু জিতিনপ্রসাদকে নিয়ে ক্ষোভ দানা বেঁধেছিল অনেক আগেই। অনেকেই সোনিয়া গান্ধীর কাছে জিতিনপ্রসাদের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত ঞ্জিতিনপ্রসাদের পরিবারও বরাবরই কংগ্রেসে থেকেও গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধাচরণ করেছেন। 1999 সালে এই জিতিনপ্রসাদের বাবা জিতেন্দ্রপ্রসাদ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হন।

অন্যদিকে জিতিনপ্রসাদের চলে যাওয়া নিয়ে এখনো পর্যন্ত কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এভাবে ভাঙাগড়া হবেই। বাংলাতেও ব্যাপকভাবে হয়েছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে। সেক্ষেত্রে আগামী বছর উত্তরপ্রদেশের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। আপাতত দেখার, এই ধাক্কা সামলে কংগ্রেস আগামী দিনে বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে কতটা কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!