এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ভোটের ফলাফল বেরোলেই “প্রমোশন” পাচ্ছেন এই তৃণমূল নেতারা, আর “ডিমোশন” এই নেতাদের

ভোটের ফলাফল বেরোলেই “প্রমোশন” পাচ্ছেন এই তৃণমূল নেতারা, আর “ডিমোশন” এই নেতাদের



কেন্দ্রের মসনদ থেকে বিজেপিকে সরানোর জন্য এবার রাজ্যের 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখল করবার টার্গেট নিয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।কিন্তু বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে শাসকদলের দলীয় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দলেই সেই জয়ের পথে অনেকটাই কাটা আসতে পারে – এই আঁচ করে এবার সেই গোষ্ঠী কোন্দল মিটিয়ে নিয়ে সকলকে একসাথে চলার নির্দেশ দিতে তৎপর হলো শাসক দল।

পাশাপাশি যদি কোনো নেতা সেই দ্বন্দ্ব না মিটিয়ে উল্টে দলেরই ক্ষতি করে তাহলে তাদের ভাগ্যেও যে খাড়া ঝুলতে চলেছে তারও বার্তা দিয়ে দিল তৃণমূল। জানা গেছে, বুধবার জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মন্ডলের সমর্থনে কর্মীসভা ডেকে অলিখিত প্রমোশন এবং ডিমোশন নীতি চালু করল তৃনমূল কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ 24 পরগনার ভাঙড়, সোনারপুর উত্তর, সোনারপুর দক্ষিণ, বারুইপুর, কুলতলী, জয়নগর, ক্যানিং 1, ক্যানিং 2, বাসন্তী, গোসাবা, মথুরাপুর, মন্দিরবাজার, ডায়মন্ডহারবার, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ প্রায় সব জায়গাতেই শাসকদলের তীব্র গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সমস্ত বিধানসভায় দলীয় গোষ্ঠী কোন্দলকে রোধ করতে দলের রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টে দলের অনেক নেতাই তলায় তলায় দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতের সৃষ্টি করছেন বলে এক সমীক্ষার রিপোর্টে উঠে এসেছে। আর এমতাবস্থায় এবার দলে যে সমস্ত নেতারা তাদের এলাকায় লিড দিতে পারবেন না তাদের ডিমোশন এবং যারা ভালো কাজ করে লিড আনবেন দলীয় প্রার্থীর স্বপক্ষে তাদের প্রমোশন হবে বলে পরোক্ষে বুঝিয়ে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গেছে, বুধবার বিকেলে জয়নগর শহরে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মন্ডলের সমর্থনে একটি কর্মীসভায় দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী উপস্থিত হয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নেতা গৌড় সরকার এবং বিশ্বনাথ দাসকে হাজির থাকতে বললেও গৌড়বাবু সেখানে গরহাজির ছিলেন।

আর এতেই অসন্তুষ্ট হয়ে দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “একই দলে দু’রকম লাইন চলবে না। যে বুথ, অঞ্চল বা ব্লকের খারাপ ফল হবে সেই সব জায়গায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভোটে ভালো কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সম্মানজনক জায়গা দেওয়া হবে। মাথায় রাখতে হবে দলের নেত্রী একজনই তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আমরা সকলেই কর্মী হিসেবে এখানে কাজ করব।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই তৃণমূলের এবারের নির্বাচনে কাল হতে পারে। আর এই আশঙ্কা করেই এবার যারা ভালো কাজ করবে, তাদের সম্মানজনক জায়গা দেওয়া হবে বলে সেই দলের নেতাদের মান ভাঙিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞমহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!