এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বিপুল ভোটে হারের মাশুল দিয়ে ছাড়তে হল পদ,সৌরভ-এর জায়গায় নতুন দায়িত্ব পেলেন কে? জেনে নিন

বিপুল ভোটে হারের মাশুল দিয়ে ছাড়তে হল পদ,সৌরভ-এর জায়গায় নতুন দায়িত্ব পেলেন কে? জেনে নিন



এক সময়ে উত্তরবঙ্গ দিয়েই তৃণমূলের প্রবেশ ঘটেছিল। বিগত বাম আমলে সেই সময় উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের পতাকা বইয়ে ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী। কিন্তু রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পরই উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের সংগঠন ক্ষতির দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে সেই উত্তরবঙ্গকেই পাখির চোখ করেছিল বিরোধী দল বিজেপি। আর ভোটের ফলাফলে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি লোকসভা কেন্দ্রই দখল করতে দেখা গেছে গেরুয়া শিবিরকে। যা নিয়ে রীতিমত চিন্তিত তৃণমূল নেতৃত্ব।

সারারাত যে এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফল খুব একটা ভাল হয়নি। আর তাই দলের এই ফলাফলে অসন্তুষ্ট ও হতাশাগ্রস্ত তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার দলের সমস্ত জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে কালীঘাটের বাসভবনে একটি বৈঠক ডাকেন। আর এই বৈঠক শেষেই একের পর এক নেতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শোনা যায় তার গলায়।

প্রসঙ্গত, এবারে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলের পক্ষে অত্যন্ত সেফ সিট ছিল। কিন্তু সেই কেন্দ্রটিতেও জয়লাভ করতে পারেনি তারা। যেখানে তৃণমূল প্রার্থী বিজয় চন্দ্র বর্মনকে জেতানোর অনেকটাই দায়িত্ব ছিল জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তীর উপর। কিন্তু গণনার বাক্স খোলার পরই বিজেপি প্রার্থীর কাছে এক লক্ষ চুরাশি হাজার চার ভোটে পরাজিত হতে হয় সেই বিজয়বাবুকে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর তাই এবারে ভোটের ফল প্রকাশের পরই দলীয় পর্যালোচনা বৈঠকে সেই সৌরভ চক্রবর্তীরই ডানা ছাটলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান থেকে সৌরভ চক্রবর্তীকে সরিয়ে তার দায়িত্ব তিনি সেই বিজয় চন্দ্র বর্মনের কাঁধেই তুলে দেন। তবে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি পদ থেকে সৌরভবাবুকে সরিয়ে ফেলার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তৃণমূল নেত্রী।

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য একটি কারণ হয়েছে বলে মনে করছে তৃণমূলের একাংশ। তাদের দাবি, জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে সৌরভ চক্রবর্তীকে সরিয়ে দিলে দলে বিপর্যয় ঘটতে পারে। আর তাই তো দলের এই দুর্দিনে সৌরভবাবুকে সংগঠনের দায়িত্বে রেখে শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান পদ তার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে শ্যাম ও কুল দুই রাখার চেষ্টা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো বলে মত বিশেষজ্ঞদের অনেকের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!