এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > ভ্যাকসিন নিয়ে শেষমেষ ভারতকেই ভরসাযোগ্য মনে করছে প্রতিবেশ দেশ!

ভ্যাকসিন নিয়ে শেষমেষ ভারতকেই ভরসাযোগ্য মনে করছে প্রতিবেশ দেশ!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – প্রায় এক বছর করোনা আতঙ্কে কাটানোর মধ্যে, মানুষ একান্ত ভাবে অপেক্ষা করেছে ভ্যাকসিনের। নতুন বছরের শুরুতেই খুশির খবর নিয়ে এসেছে ভ্যাকসিন। ভারত, পৃথিবীর বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ। স্বভাবতই, বিশ্বের বহু দেশেই ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের দিকেই তাকিয়ে আছে।

বছরের প্রথম দিনই বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সাস্থ্য মন্ত্রকের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেই বৈঠকের পরই, জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অক্সফোর্ড অস্ত্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিনকে অনুমতি দেওয়া হয়। এরপরই বিশেষজ্ঞ কমিটি অনুমতি দায় ভারত বায়োটেক এর ভ্যাকসিন কে। অবশেষে ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেলের তরফে অক্সফোর্ড এবং ভারত বায়োটেক এর ভ্যাকসিন জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়ে এই দুই ভ্যাকসিন। আর গতকাল ১৬ই জানুয়ারি থেকে ভারতে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সারা দেশব্যাপী প্রথম দিনেই ১.৯১ লক্ষ সাস্থ্যকর্মীকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ করা হয়।

গত ১৫ই জানুয়ারি নেপালের ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট একটি বিবৃতি দিয়ে, দেশে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড কে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। গত বুধবার ১৩ই জানুয়ারি, ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট, ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা গুলিকে তাদের ব্যবহারের জন্য নথিভুক্ত করতে আহ্বান জানায় এবং তার পরই ১৫ই জানুয়ারী অনুমোদন দেওয়া হয় কোভিশিল্ডকে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

ইতিমধ্যেই জানা গেছে, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ভ্যাকসিন কিনতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার সাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তারা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ১৫ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিন কিনতে চলেছে। এর মধ্যে প্রথম দফায় ১০ লক্ষ ভ্যাকসিন পাঠানো হবে জানুয়ারিতে এবং বাকি ৫ লক্ষ ভ্যাকসিন পাঠানো হবে পরবর্তী মাসে।

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন কোভিশীল্ড কিনতে চলেছে মায়ানমার। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ৩০ কোটি ভ্যাকসিন কেনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তারা।ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে এই ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রত্যাশা রাখছে মায়ানমার সরকার। ব্রাজিল ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ২০ লক্ষ ভ্যাকসিন কিনেছে। এছাড়াও, ভ্যাকসিন কেনার জন্য সিরাম ইনস্টিটিউট এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বলিভিয়া। বলিভিয়া সরকার ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ৫০ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কেনার।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অক্সফোর্ড -অস্ত্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন ভারতে প্রস্তুত করছে সিরাম ইনস্টিটিউট। সিরাম ইনস্টিটিউট এর তৈরি এই ভ্যাকসিন “কভিসিল্ড” নামে ভারতের বাজারে আসবে। তবে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন তৃতীয় পর্যায়ের পর ৭০% কার্যকর বলা হয়েছে। সিরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে তাদের ভ্যাকসিন ৯২-৯৫% কার্যকর এবং কোরোনা ভাইরাসের দ্বারা গুরুতর ভাবে আক্রান্ত হওয়ার থেকে বাঁচাতে ১০০% কার্যকর।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!