এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > উত্তরবঙ্গের হারানো জমি ফিরে পেতে দরাজহস্ত মমতা! বিজেপি বলছে ভোটের রাজনীতি কাজে আসবে না!

উত্তরবঙ্গের হারানো জমি ফিরে পেতে দরাজহস্ত মমতা! বিজেপি বলছে ভোটের রাজনীতি কাজে আসবে না!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিপর্যস্ত হতে হয়েছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে। তাই আগামী ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের হারানো জমি পুনরুদ্ধারে বিশেষভাবে সচেষ্ট শাসক দল। এদিকে সামনেই রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। উত্তরবঙ্গ সফরের প্রাকমুহুর্তে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার জন্য বিশেষভাবে দরাজ ও সহায় হতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলার মতো কোচবিহার জেলাতেও শাসক দলের পরাজয় ঘটেছিল। তার উপরে কোচবিহার জেলায় শাসকদলের সংগঠনও খানিকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এসব কারণেই কোচবিহারের জনগণকে খুশি রাখতে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে।

প্রসঙ্গত, কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে বেশ কিছু দাবি জানানো হয়েছিল। গত রবিবার এইসব দাবি মেনে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অনুমোদন। যা পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটে মাথাভাঙার খলিসামারিতে হতে চলেছে।

গত রবিবারের রাজ্য সরকারের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কলকাতায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের অনুমোদনের কথা জানালেন। এ বিষয়ে তিনি আরও জানান যে, এই বিশ্ববিদ্যালয় যা কিছু প্রস্তাব করেছিল, তার সবগুলিরই অনুমোদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়কে ফোন করে এ বিষয়ে অবগত করলেন শিক্ষা মন্ত্রী। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দাবি মেনে নেওয়া প্রসঙ্গে উপাচার্য গতকাল সোমবার জানালেন, ” রাজ্য সরকারের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয়েছে। তাতে আমরা খুবই খুশি।”

পঞ্চানন বর্মার জন্মস্থান মাথাভাঙ্গার খলিসামারিতে পঞ্চানন বর্মা মেমোরিয়াল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বহুকাল ধরেই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছিল। কিছুদিন পূর্বে এই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা বার্তা জ্ঞাপন করেছেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে খলিসামারিতে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অনুমোদন বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় জানিয়েছেন, ” মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় আমরা খুবই খুশি। শিক্ষামন্ত্রীকেও ধন্যবাদ। খলিসামারিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দাবি ছিল। তাতে আমরাও সহমত ছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম।”

প্রসঙ্গত, পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের নাম ‘পঞ্চানননগর’ রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, খলিসামারিতে পঞ্চানন বর্মার সংগ্রহশালা যা এতকাল অনগ্রসর কল্যাণ দফতরের আওতাধীন ছিল, সম্প্রতি তা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।

বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনুমোদনের বিষয়টিকে নির্বাচনের প্রচার কার্যে ব্যবহার করতে চাইছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা বিজেপির দাবি, রাজনীতির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। কোচবিহার জেলা বিজেপি সভানেত্রী মালতী রাভা অভিযোগ করেছেন যে, সংগ্রহশালার বেহাল অবস্থার কথা কারোরই অজানা নেই। সংগ্রহশালাটি ১০ বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও সরকার তার রক্ষণাবেক্ষণ করে নি। এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ” দশ বছর ধরে ওই আন্দোলন চলছে। আমরাও দাবি জানিয়েছি। এতদিন তা করতে পারেনি সরকার। আর এমন প্রতিশ্রুতি বহুবার শুনেছি। আমরা চাই সেখানে দ্রুত ক্যাম্পাস হোক। সেই অপেক্ষাতেই রয়েছি।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!