এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > নিয়মের বেড়াজালে উত্তরবঙ্গে একের পর এক জমি চলে যাচ্ছে মাফিয়াদের কব্জায়? শুরু চাপানউতোর?

নিয়মের বেড়াজালে উত্তরবঙ্গে একের পর এক জমি চলে যাচ্ছে মাফিয়াদের কব্জায়? শুরু চাপানউতোর?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে একাধিক জমি ল্যান্ড মাফিয়াদের দখলে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গেছে। যেখানে ডিস্ট্রিক্ট ইউনিয়ন বোর্ডের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়েছে কয়েক দশক আগেই, সেখানে জেলা পরিষদের বালাই নেই। এমন পরিস্থিতিতে শিলিগুড়িতে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের নামে থাকা বহু জমির রেকর্ড সংশোধন করা হয়নি বলে জানা যায়।

বস্তুত, যে সরকারি বিধি অনুসারে জমি এখন মহকুমা পরিষদের অধীনে থাকার কথা, কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে এর মধ্যে থেকে অধিকাংশ জমিই মাফিয়াদের দখলে চলে গেছে এবং বামফ্রন্ট পরিচালিত শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সেই জমি তত্ত্ব সংশোধন করতে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতোই বহুকাল আগে থেকেই দার্জিলিং জেলায় ডিস্ট্রিক্ট ইউনিয়ন বোর্ড ছিল। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর সেই বোর্ড উঠে যায়। ফলে এর পরিবর্তে চালু হয় জেলা পরিষদ। ১৯৮৬ কিংবা ১৯৮৭ সালে দার্জিলিং জেলা পরিষদও বিলুপ্ত হয় বলে জানা যায়।

ফলে এরপর ১৯৮৯ সালে এখানে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ গঠন করা হয়। আর রাজ্যের মধ্যে এখন এটাই একমাত্র মহকুমা পরিষদ। অথচ এখনও পর্যন্ত বিলুপ্ত ইউনিয়ন বোর্ড ও জেলা পরিষদের নামে থাকা জমির নাম পরিবর্তন হয়নি বলেই জানা গেছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দার্জিলিং জেলা প্রশাসন ও মহকুমা পরিষদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছে বলে জানা গেছে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে, প্রশাসন ও মহাকুমা পরিষদের তরফে পরিচালন বোর্ড গঠন করে তা সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এই অঞ্চলে ইউনিয়ন বোর্ড জেলা পরিষদের যেহেতু কোনো অস্তিত্ব নেই, তাই অধিকাংশ জমিই পড়ে থেকে থেকে জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। সেখানে দোকান-বাড়ি তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন বা মহাকুমা পরিষদের উদাসীনতাতেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে এই জমির এবং সম্পত্তির সংশোধন না হওয়ায় তৃণমূল আর সিপিএমের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। এদিন তৃণমূলের তরফে বলা হয় দীর্ঘদিন বামফ্রন্ট মহাকুমা পরিষদকে নিজের দখলে রেখেছে। তাদের ব্যর্থতা থেকেই সরকারি জমি এবং সম্পত্তির নাম পরিবর্তন করা যায় নি। এবার রাজ্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে সমস্যা খুব শীঘ্রই মিটবে বলেও জানা গেছে।

অন্যদিকে, মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি সিপিএমের তাপস সরকারের মতে, ডিস্ট্রিক্ট ইউনিয়ন বোর্ড ও জেলা পরিষদের নামে থাকা জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য অনেক আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আগে জেলা প্রশাসন এবং ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের কাছে বহুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন ওই সব জমির নাম পরিবর্তন হচ্ছে না, তা তিনি বুঝতে পারছেন না বলেই জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে আবার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!