এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > উপনির্বাচনে সাফল্য পেয়ে ময়দানে পৌরভোটে নয়া উদ্যমে তৃণমূল! পাল্টা চ্যালেঞ্জ বিজেপির, জোর সোরগোল!

উপনির্বাচনে সাফল্য পেয়ে ময়দানে পৌরভোটে নয়া উদ্যমে তৃণমূল! পাল্টা চ্যালেঞ্জ বিজেপির, জোর সোরগোল!



স্বাধীনতার পর থেকে কোনোকালেই কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা দখল করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে গত 2019 সালের কালিয়াগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের সেখানে জয়লাভ করে ঘাসফুল শিবির। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করার পর কালিয়াগঞ্জে যে ঘাসফুল ফুটবে, তা আন্দাজ করতে পারেননি কোনো নেতাই। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীর দক্ষ সাংগঠনিক শক্তির জোরে সেখানে জয়লাভ করেছেন তপন দেব সিংহ। আর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয় পেয়ে এখন তৃণমূল চেষ্টা করছে, কালিয়াগঞ্জ পৌরসভা দখল করে সেখানে বিজেপিকে টেক্কা দিতে। যদিও বা শাসক দল তাদের প্রস্তুতি চালালেও, তাদের ছেড়ে দিতে নারাজ ভারতীয় জনতা পার্টি।

আর শাসক-বিরোধী দুই রাজনৈতিক দলের শক্তি প্রদর্শনের লড়াইয়ে এখন জমে উঠেছে উত্তর দিনাজপুরের রাজনীতি। এদিন এই প্রসঙ্গে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান কার্তিক পাল বলেন, “লোকসভা ভোটে আমরা প্রায় 15 হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিলাম। সেই দূরত্ব অতিক্রম করে বিধানসভা উপনির্বাচনে এসে আমরা শহরে প্রায় 500 ভোটের লিড নিয়েছি। প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। এখন অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন তরণীতে আমরা যাত্রী হয়েছি। স্বাধীনতার পর এত উন্নয়ন কালিয়াগঞ্জ আগে দেখেনি। এখানে আরও উন্নয়ন হবে। পৌরভোটে জয়ের ব্যাপারে আমরা 100% আশাবাদী।”

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে তৃণমূল উন্নয়নের ওপর ভর করে এই পৌরসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করলেও, শাসক দলকে ছেড়ে দিতে নারাজ ভারতীয় জনতা পার্টি। এদিন এই প্রসঙ্গে উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির সভাপতি বিশ্বজিত লাহিড়ী বলেন, “বিধানসভা নির্বাচন অন্য প্রেক্ষাপটে হয়েছে।সেই সময় কৌশলগত আমাদের কিছু ভুল হয়েছিল। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা পৌরসভা ভোটের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। তৃণমূলের দুর্নীতি উন্নয়নের ফাঁকা বুলি নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। শহরে আমাদের ভোট উপনির্বাচনে যেটুকু ঘাটতি রয়েছে, আমরা তা মেকআপ করে নেব। তা নিয়ে ভাবছি না। আর ওরা যদি ভাবে গায়ের জোরে ভোট করাবে, তা এবার পারবে না। আমরাও সেইমতো প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, তৃণমূলের কাছে যদি লড়াইটা উন্নয়নকে সামনে রেখে হয়, তাহলে বিজেপির কাছে সেই লড়াইটা হবে দুর্নীতি এবং তৃণমূলের স্বজনপোষণকে সামনে রেখে।এখন শেষ পর্যন্ত গত বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কালিয়াগঞ্জ দখল করলেও, পৌরসভা নির্বাচনে তারাই শেষ হাসি হাসে, নাকি লোকসভায় শেষ হাসি হাসা বিজেপিই পৌরবোর্ড দখল করে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!