এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আনলক পর্ব শুরু হতেই ঘুড়ে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি? নতুন কোন মাইলস্টোনে আর তথ্যে আশার আলো?

আনলক পর্ব শুরু হতেই ঘুড়ে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি? নতুন কোন মাইলস্টোনে আর তথ্যে আশার আলো?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দেশের অর্থনীতি করোনাকালে তলানিতে এসে ঠেকেছে। সেই সঙ্গে দেশের জিএসটি আরও খারাপ পর্যায়ে যাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অর্থনীতিবিদরা। সেই সঙ্গে এর থেকে মুক্তির উপায় হিসেবেও বলা হয়েছিল সম্ভাব্য কিছু উপায়।

এর কারণ স্বরূপ, বলা হয়েছিল দীর্ঘদিন ধরে চলা লকডাউনের কথা। সেই সময় অর্থনৈতিক দিকগুলো দেশে পুরো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। উৎাপদন শিল্প থেকে শুরু করে খুচরো ব্যবসা, সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আর তাই এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ দিতেও কেন্দ্র অক্ষম ছিল।

বস্তুত, কিছুদিন আগে এই নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই কেন্দ্র-রাজ্য তরজা যে তুঙ্গে ছিল, সেই খবর সামনে এসেছিল। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, এই বছর ২০শে অক্টোবর পর্যন্ত ১.১ মিলিয়ন জিএসটি আর-৩বি জমা পড়েছে। যেখানে গত বছর এই সময় জিএসটি আর-৩বি মাত্র ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা জমা পড়েছিল, সেখানে এই বছরের এই বাড়তি আয়, অর্থনীতিকে খানিকটা চাঙ্গা করতে পারবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এছাড়া এর কারণে যে মার্চের পর প্রথম বার দেশের অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াতে চলেছে সেকথা বলাই বাহুল্য। সেইসঙ্গে গত ১লা অক্টোবর অনলাইনে জিএসটির ই-ভয়েসিং প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। আর এর ফলেও যে জিএসটি সংগ্রহ বাড়তে চলেছে, সেই আশাই রাখছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে সমস্যা হচ্ছে অন্য জায়গায়।

জানা গেছে, জিএসটি কমপেনসেশন খাতে ঘাটতি মেটাতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্র বিশেষ ঋণ নিয়েছে। এক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ১৬টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে সেই টাকা নির্দিষ্ট খাতে জমা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, জিএসটি কমপেনসেশনের ঘাটতি মেটাতে কেন্দ্র বিশেষ উইন্ডোর মাধ্যমে রাজ্যগুলির জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বলেও তথ্য সূত্রে জানা গেছে।

এক্ষেত্রে, কেন্দ্র যে ৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে তা অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার, গোয়া, গুজরাত, হরিয়ানা, হিমাচলপ্রদেশ, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং দিল্লি এবং জম্মু ও কাশ্মীরের খাতায় জমা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে ঋণের সুদের হার ৫.১৯ শতাংশ বলে জানা যায়। আর এই ছয় হাজার কোটি টাকাই সাপ্তাহিক হিসাবে রাজ্যগুলিকে জন্য দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে সরকারি তরফে।

সেইসঙ্গে, ২০২০-২১ সালের জিএসটি সংগ্রহের ঘাটতি মেটাতে কেন্দ্র একটি বিশেষ ঋণের উইন্ডো তৈরি করেছে বলেও জানা গেছে। যার মধ্যে দেশের ২১ টি রাজ্য এবং ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে। যারা কিনা জিএটি কমপেনসেশনের জন্য অর্থমন্ত্রকের ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণের এই বিশেষ উইন্ডোর সুবিধা নেওয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানা গেছে। তবে বিষয় হল, এর মধ্যে পাঁচটি রাজ্যের জিএসটি কমপেনসেশন খাতে কোনও ঘাটতি নেই বলেই জানা গেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!