এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > দুই হেভিওয়েট নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড !জোর শোরগোল রাজ্যে

দুই হেভিওয়েট নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড !জোর শোরগোল রাজ্যে



বর্তমানে বাম নেতৃত্বদের অত্যন্ত দুর্বল থেকে দুর্বলতর অবস্থা। 2011 সালে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকেই যতগুলো নির্বাচন এসেছে, প্রায় সবকটি নির্বাচনেই পর্যুদস্ত হতে হয়েছে কাস্তে-হাতুড়ি শিবিরকে। আর বর্তমানে বামেরা যখন দৈন্যদশার শিকার, ঠিক তখনই জমি দখলকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই ব্যক্তিকে খুনের দায়ে দুই সিপিএম নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ শোনালো বাঁকুড়া আদালত। যা নিঃসন্দেহে সেই বামফ্রন্টের অস্বস্তিকে আরও বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছে একাংশ।

সূত্রের খবর, শনিবার বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক 1 মনোজ্যোতি ভট্টাচার্য, গোপাল দিগর এবং অভিরাম ধারাকে খুনের জন্য সিপিএমের বাদল ঘোষ এবং সৃষ্টিধর ঘোষের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। আর নিজেদের পরিবার, পরিজনকে হারিয়ে প্রায় দীর্ঘ 22 বছর পর এই মামলার সাজা ঘোষণা হওয়ায় এখন খুশি মৃতের পরিবারেরা।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত, সরকারি আইনজীবী অরুণ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেছে, ইন্দাসের ভুরবাদী গ্রামের বাসিন্দা গোপাল দিগর এবং বাসুদেব দিগরের একটি জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএমের বাদল ঘোষ এবং সৃষ্টিধর ঘোষের সাথে তাদের গন্ডগোল চলছিল। জানা যায়, গোপাল দিগর 144 ধারা জারি করে রাখলেও, গত 1997 সালের 9 ডিসেম্বর সিপিএমের বাদল ঘোষের নেতৃত্বে প্রায় কুড়ি জন লোক অস্ত্র নিয়ে শেষে গোপালবাবুর ওপর চড়াও হয়।

অভিযোগ, গোপাল বাবুকে মারধরের সময় অভিরাম ধারা নামে এক বাসিন্দা এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে, তাকে সিপিএম নেতা বাদল ঘোষ এবং তার অনুগামীরা বেধড়ক মারধর করে এবং টাঙ্গির কোপ মারে। আর এরপরেই আহত দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত গোপালবাবু এবং অভিরামবাবু দুজনেরই মৃত্যু হয়।

এদিকে এই ঘটনার পরই নানা চার্জশিট জমা পড়লেও, কাজের কাজ কিছু হয়নি। কিন্তু অবশেষে প্রায় 22 বছর পর বিচারক এই মামলার সাজা শোনানোয়, এখন মৃতের পরিবার পরিজনের মধ্যে বইতে শুরু করেছে খুশির হাওয়া। এদিন এই প্রসঙ্গে মৃত গোপালবাবুর এক আত্মীয় বলেন, “ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে অভিযুক্তরা যে সাজা পাবে, একটা সময় সেই আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। তবে আদালতের প্রতি আমাদের আস্থা ছিল। অবশেষে অভিযুক্তরা শাস্তি পাওয়ায় আমরা খুশি।” সব মিলিয়ে মৃত্যুর 22 বছর পর অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজা হওয়ায় খুশি মৃতের পরিবারেরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!