এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > “তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদেরও দিল্লি আসতে হবে, সতর্ক করছি” টুইট করে হুমকি বিজেপি সাংসদের!

“তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদেরও দিল্লি আসতে হবে, সতর্ক করছি” টুইট করে হুমকি বিজেপি সাংসদের!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দুশো আসন নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করার স্বপ্ন ছিল ভারতীয় জনতা পার্টির। কিন্তু বাস্তবে তা পূর্ণ হয়নি। 200 আসন দখল করা তো দূরের কথা, 80 আসনের গণ্ডি পেরোতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। স্বাভাবিক ভাবেই বিপুল আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের ক্ষমতা তৃণমূলের দখলে যাওয়ার পর থেকেই রীতিমত রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে সারা রাজ্যজুড়ে। বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আর এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে ফলাফল বেরোনোর পর যখন বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে, তখন তৎপর হয়ে উঠেছে সর্বভারতীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আগামীকাল বুধবার সারাদেশে এর বিরুদ্ধে ধরনা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তারা। আর এই পরিস্থিতিতে বিজেপির পক্ষ থেকে যখন তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলা করার অভিযোগ তোলা হচ্ছে, ঠিক তখনই টুইট করে কার্যত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে হুমকি দিলেন বিজেপি সাংসদ পারবেশ সাহিব সিংহ। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে তার এই টুইট যে উত্তেজনা অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা।

সূত্রের খবর, এদিন একটি টুইট করেন হেভিওয়েট এই বিজেপি সাংসদ। যেখানে তিনি লেখেন, “খেয়াল রাখবেন, তৃণমূলের সাংসদ, মুখ্যমন্ত্রী, বিধায়কদের কিন্তু দিল্লি আসতে হবে। আমি আপনাদের সতর্ক করছি। নির্বাচনে হার-জিত হতে পারে। কিন্তু খুন নয়।” আর বিজেপি সাংসদের এই টুইট নিয়ে এবার নানা মহলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “দিল্লি আসতে হবে” বলে কেন এরকম সতর্কবার্তা শোনালেন বিজেপি সাংসদ? তাহলে কি পশ্চিমবঙ্গে যে হিংসার ঘটনা ঘটছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের যে সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা দিল্লিতে আসবেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নিজের এই ট্যুইটের মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দিতে চাইলেন বিজেপি সাংসদ? এখন তা নিয়ে নানা মহলে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর পশ্চিমবঙ্গের ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির পক্ষ থেকে যখন তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তখন বিজেপি সাংসদের এই প্রতিহিংসাপরায়ণ টুইটকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। একাংশ বলছেন, কথায় আছে, তুমি অধম বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?

যদি বিজেপির পক্ষ থেকেও এখন প্রতিহিংসাপরায়ন টুইট করা হয়, তাহলে অশান্তি ক্রমশ বাড়তে শুরু করবে। কেননা যেভাবে সতর্কতামূলক টুইট করলেন বিজেপি সাংসদ, তাতে এর পিছনে কি তাহলে শুধুমাত্র প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি রয়েছে? একাংশের মতে, তৃণমূল কংগ্রেস যেমন বিপুল আসনে জয়লাভ করে ক্ষমতা দখল করছে, ঠিক তেমনই বিজেপি 77 টি আসনে জয়লাভ করেছে।

এক্ষেত্রে গঠনগত বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে মানুষের মন জয় করতে হবে তাদের। কিন্তু সেটা করতে গিয়েই যদি বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা তথা হেভিওয়েট সাংসদরা এই ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য করেন, তাহলে তা বিজেপিকে যথেষ্ট চাপের মুখে ফেলে দেবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!