এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > আমপানে নেই মাথার ছাদটুকুও! ত্রিপল চাইতেই জুটল তৃণমূল নেতার মার! বিজেপির চক্রান্ত দেখছে শাসকদল

আমপানে নেই মাথার ছাদটুকুও! ত্রিপল চাইতেই জুটল তৃণমূল নেতার মার! বিজেপির চক্রান্ত দেখছে শাসকদল



সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রভাবে রাজ্যের একাধিক জেলার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্রের খবর বাঁকুড়া সিমলাপাল থানা এলাকার মাচাতোড়া গ্রামের এক ব্যক্তি সেবক মাঝির বাড়ির অবস্থা এমনিতেই ভাল ছিল না এরপর আমফানের দাপটে বাড়ির পরিনতি আরও খারাপ জায়গায় পৌঁছায়। জানা গেছে এলাকায় পঞ্চায়েতের তরফে ত্রিপল বিলি করা হচ্ছে জেনে এলাকার তৃণমূল সভাপতি শিশির সৎপতির কথা অনুসরণ করে সেবক মাঝি ত্রিপল নেওয়ার জন্য পঞ্চায়েতে পৌঁছান।

এদিন তিনি পঞ্চায়েত প্রধান কনক সৎপতির স্বামী স্বপন শক্তির কাছে ত্রিপল-এর সাথে সাথে ১০০ দিনের প্রকল্প কাজের না পাওয়া বকেয়া টাকাও দাবি করেছিলেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে ক্রমশ কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বপন সৎপতির নির্দেশানুসারে সেবক মাঝিকে গুরুতরভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এদিন গুরুতরভাবে আক্রান্ত হওয়ার পর সেবক মাঝি জানিয়েছেন ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজের টাকা দীর্ঘদিন সে পায়নি সেই কারণেই বকেয়া টাকা চাইতে মারধর করা হয় তাকে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর এরপরই গত বৃহস্পতিবার এলাকা স্থানীয়রা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান এবং পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন। জানা গেছে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। স্থানীয়দের অভিযোগ কনক সৎপতি পঞ্চায়েত প্রধান হওয়া সত্বেও দীর্ঘদিন তিনি পঞ্চায়েতে আসেন না উপরন্তু তার স্বামী লেখাপড়া না জানা সত্ত্বেও পঞ্চায়েত চালনা করেন।

বিষয়টি নিয়ে স্বপন সৎপতি মুখ খোলেননি বলে স্থানীয় সূত্রের খবর, কেননা ঘটনার পর তিনি এলাকা থেকে ফেরার হয়েছেন। যদিও সূত্রের খবর বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে এদিন মাচাতোড়া এলাকার তৃণমূল যুব সভাপতি রবিদাস চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি বিজেপি চক্রান্ত করে ঘটিয়েছে। ওই যুবককে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা মদ্যপ অবস্থায় পঞ্চায়েত অফিসে ঐদিন পাঠিয়েছিলেন। সম্পূর্ণ বিজেপির প্ররোচনায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে এদিন রবিদাস চক্রবর্তী দাবি করেছেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!