এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > তৃণমূলের কাছে সোয়া নকোটি ‘বিতর্কিত’ টাকার অভিযোগ কুনালের, নাম জড়ালো মুকুলেরও

তৃণমূলের কাছে সোয়া নকোটি ‘বিতর্কিত’ টাকার অভিযোগ কুনালের, নাম জড়ালো মুকুলেরও



সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ‘বিতর্কিত’ টাকার অভিযোগ ওঠালেন দল থেকে বহিষ্কৃত রাজ্যসভার সাংসদ কুনাল ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুনাল বাবু দলত্যাগী নেতা মুকুল রায়ের নামও জড়িয়ে দিলেন। কি বলেছেন কুণালবাবু? তাঁর দাবী, তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় তহবিলে জমা রয়েছে ৯ কোটি ১৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১১৫ কোটি ‘বিতর্কিত’ টাকা। আগামিদিনে এর জন্য বড় কোনও আইনি জটিলতার মধ্যেও পড়তে হতে পারে রাজ্যের শাসক দলকে এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী বাতিল হয়ে যেতে পারে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ‘ঘাসফুল’।
কেন এই টাকা ‘বিতর্কিত’ তও জানিয়েছেন কুণালবাবু। তাঁর দাবী, ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনটি জায়গা তৃণমূল কংগ্রেসের তহবিলে জমা পড়েছিল টাকা। যা তৃণমূল কংগ্রেস তাদের বার্ষিক অডিট রিপোর্টে দেখিয়েছিল অনুদান হিসাবে। কিন্তু, ওই সংস্থা গুলি তাদের বার্ষিক অডিট রিপোর্টে এই টাকাকে দেখিয়েছিল ঋণ হিসাবে। এখানেই সবচেয়ে বড় বিপদের মুখে পড়তে চলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। যদি শাসক দলের অডিট রিপোর্টকে সত্যি মেনে এই বিপুল টাকাকে আর্থিক অনুদান হিসাবে ধরে নেওয়া হয়, তবে তা কালো টাকা হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেসের তহবিলে জমা পড়েছে। কারণ ‘আন অ্যাকাউন্টটেড ম্যানি’ হিসাবে ওই সংস্থাকে আয়করের কাছে জরিমানা দিতে হয়েছে। আর যদি ওই সংস্থা গুলির অডিট রিপোর্টকে সত্যি মেনে নিলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ওই সমস্ত সংস্থাকে সব টাকা ফিরিয়ে দিতে হবে। রাজনৈতিক দলের তহবিলে কালো টাকা থাকলে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ঘাসফুল’ প্রতীক বাতিল হয়ে যেতে পারে। আর এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর তৃণমূলের তৎকালীন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সদ্য বিজেপিতে যোগ দান করা মুকুল রায়কে দিতে হবে। কুণালবাবুর করা অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যিই অস্বস্তিতে পরে তৃণমূল কংগ্রেস ও মুকুল রায় নাকি এর কোনো সারবত্তাই নেই, সেইদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!