এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > মেদিনীপুরে সভায় গেলে নিয়ে যান শুধু ছাতা, খাওয়া থেকে ‘বাকি’ দায়িত্ত্ব শাসকদলের

মেদিনীপুরে সভায় গেলে নিয়ে যান শুধু ছাতা, খাওয়া থেকে ‘বাকি’ দায়িত্ত্ব শাসকদলের



সম্প্রতি মেদিনীপুরে সভা করে গেছেন বিজেপি শীর্ষনেতা তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার তারই পাল্টা সভা হিসাবে আজ সেই একই জায়গায় সভা করবেন যুব তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সভায় রেকর্ড ভিড় করতে কোনো অংশেই খামতি রাখতে চাইছেন না জেলা তৃনমূল নেতৃত্বরা। এ নিয়ে ব্লকে ব্লকে মিটিং করে প্রতিটি বুথ থেকে অন্তত ১০০ জন কর্মী নিয়ে যাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সভায় ভিড় হলেও বাধা হতে পারে বৃষ্টি। তাই আগেভাগেই এব্যাপারে দলীয় কর্মীদের ছাতা নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা তৃনমূলের সভাপতি। এ প্রসঙ্গে ২১ শে জুলাইয়ের সভাতেও বৃষ্টির কথা উল্লেখ করেন তৃনমূলের চেয়ারম্যান দীনেন রায়। তিনি বলেন, “২১ শে জুলাই বৃষ্টি হলেও আমরা কেউই সভা ছেড়ে যাইনি। তাই মেদিনীপুরে বৃষ্টি হলেও প্রত্যেকে মাঠে থাকবেন।” এদিকে সভাস্থল অর্থ্যাৎ মেদিনীপুর কলেজিয়েট মাঠ এখন বৃষ্টির জল আর কাদায় প্যাচপ্যাচ করছে। কোনোরকমে বালি ফেলে তা মেরামতির চেষ্টা করতে মরিয়া জেলা তৃনমূল নেতৃত্ব।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে বৃষ্টির জন্য যদি লোক আসতে দেরি হয় তাই সভার জন্য আগে থেকেই মেদিনীপুরে সকলকে চলে আসতে আবেদন জানিয়েছেন জেলা তৃনমূলের সভাপতি। তৃণমূল সূত্রের খবর, আগে চলে আসা কর্মীদের জন্য খাওয়া-দাওয়ারও ব্যাবস্থা করেছে দল। যা নিয়ে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, খাওয়ার লোভ দেখিয়েই কি তাহলে সভা ভরাতে হচ্ছে শাসকদলকে? একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীকে এনেও – সভায় উপস্থিত তৃণমূলী জনতার জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে কেন?

আর এর পরিপ্রেক্ষিতে সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়ে জেলার অন্যতম এক তৃনমূল শীর্ষনেতার বক্তব্য, “সভায় আসা কর্মী সমর্থকদের মুখে যদি সামান্য খাবার না তুলে দিতে পারি, তবে ক্ষমতায় থাকা না থাকা সমান! আমরা তো আর কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্যান্ডেল বেঁধে বিরিয়ানি খাওয়ানোর ক্ষমতা রাখি না! কিন্তু যেটুকু সামর্থ, তাই দিয়েই দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের জন্য একটু ভাত-ডালের ব্যবস্থা অবশ্যই করতে হবে।”

এদিকে আকাশের মুখ ভার হয়ে থাকলেও লক্ষ লক্ষ মানুষ যে মেদিনীপুরের এই সভায় আসবেন সে ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জেলা তৃনমূল সভাপতি অজিত মাইতি। সব মিলিয়ে বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদীকে টেক্কা দিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে মেদিনীপুরের সভায় রেকর্ড ভিড় করতে তৎপর রাজ্যের শাসকদল তৃনমূল কংগ্রেস। কেননা এই সভা থেকেই কার্যত দলনেত্রীর দেখানো পথেই লোকসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরুণ সেনাপতিরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!