এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > টালিগঞ্জে ক্রমশ বাড়ছে গেরুয়া আধিপত্য, রুদ্রনীল করছেন সময়ের অপেক্ষা

টালিগঞ্জে ক্রমশ বাড়ছে গেরুয়া আধিপত্য, রুদ্রনীল করছেন সময়ের অপেক্ষা



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – রাজ্যজুড়ে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গেছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু তার আগেই কার্যত বাংলার রাজনীতিতে হয়ে চলেছে একের পর এক মেগা শো। আর তার মধ্যে অন্যতম হলো টলিউডের অন্যতম স্টার অভিনেতার নতুন করে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া। তবে সেক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হচ্ছে তিনি বেছে নিতে চলেছেন অন্য দলের আশ্রয়। কিছুদিন আগেই অভিনেতার রুদ্রনীল ঘোষের জন্মদিনে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল তাঁর গেরুয়া শিবিরে যোগদানের। আর এবার অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। যথারীতি রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়ে দিলেন, আর কিছু দিনের অপেক্ষা তার পরেই তিনি পাকাপাকিভাবে রাজনীতিতে আসছেন।

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর এক বন্ধুর জন্মদিনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সেখানেই বেশ কিছুক্ষণ আলাপ আলোচনা চলে তাঁদের। রুদ্রনীল জানিয়েছেন, তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে বরাবরই পছন্দ করেন। তবে রুদ্রনীল জানাতে ভোলেননি, শুধু বিজেপি নয়, কংগ্রেস শিবির থেকেও তাঁর কাছে রাজনীতিতে নামার প্রস্তাব এসেছে। তবে রুদ্রনীল রাজনীতিতে নামার আগে তাঁর হাতে থাকা অভিনয় জগতের কাজগুলি যে সম্পূর্ণ করবেন তা নিশ্চিত করেছেন। কিছুদিন আগেই রুদ্রনীলের জন্মদিনে বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক শঙ্কুদেব পান্ডার উপস্থিতিতে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল যে রুদ্রনীল হয়তো গেরুয়া শিবিরের ছত্রছায়ায় রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সেদিনের ‘হয়তো’কে আজ নিশ্চিত রূপ দিলেন রুদ্রনীল। প্রসঙ্গত, গোড়া থেকেই রুদ্রনীল বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম পর্বে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সখ্যতা তৈরি করেন। এরপর তৃণমূলে যোগ দিয়ে তিনি রাজ্যের বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংসদের সভাপতি হন। 2014 ও 2016 এর নির্বাচনে শাসকদলের স্টার ক্যাম্পেন হিসেবেও প্রচার চালিয়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। কিন্তু তাল কাটে এরপর।  2019 এর মাঝামাঝি এসে দূরত্ব তৈরি হয় রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে তাঁর। রাজ্যের কাটমানি থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট রাজ পর্যন্ত বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে তিনি মুখ খোলেন।

দলের বিরুদ্ধে একেরপর এক বিস্ফোরক বিবৃতি দিতে শুরু করেন রুদ্রনীল প্রকাশ্যে।  ফলস্বরূপ ক্রমশ দূরত্ব বাড়ে দলের সাথে তার, সমস্ত সরকারি পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গেরুয়া শিবিরের ছত্রছায়ায় রুদ্রনীলের রাজনৈতিক জীবন শুরু করা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। বৃহস্পতিবার নিজেই সেই কথা স্বীকার করে নিলেন টলিউডের অন্যতম অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। আপাতত পাকাপাকিভাবে রুদ্রনীল ঘোষ গেরুয়া শিবিরে কবে প্রবেশ করেন, এখন সে দিকেই লক্ষ্য রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহলের।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!