এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অহংকার ত্যাগের পরামর্শে সংস্কৃত শ্লোক উচ্চারণ তৃণমূল সাংসদের!

অহংকার ত্যাগের পরামর্শে সংস্কৃত শ্লোক উচ্চারণ তৃণমূল সাংসদের!



ধর্ম নিয়ে বারবার বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় থাকা ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধে প্রায় প্রতি ইস্যুতেই সরব হতে দেখা গেছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সংসদের দুই কক্ষে থাকা তৃণমূল সাংসদদের। বিভিন্ন বিষয়ে সংসদে বিরোধী ভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে নজর কেড়েছেন তৃণমূলের অনেক সাংসদ। আর এবার নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি সরকারকে সংস্কৃত শ্লোকের মাধ্যমে কটাক্ষ করলেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়।

সূত্রের খবর, সোমবার কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় বিল বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলকেই সমর্থন করতে দেখা যায়। আর সেখানেই সংস্কৃত ভাষায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে অহংকার ত্যাগের পরামর্শ দেন এই তৃণমূল সাংসদ। আদি শঙ্করাচার্যের “সুক্তি রত্নাবলী” উদ্ধৃতি করে সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, “মা কুরু ধনজনযৌবনগর্বম হরতি নিমেষাৎ কালঃ সর্বম।” জানা যায়, এর বাংলা অর্থ হল, ধন, জন এবং যৌবনের গর্ব না করাই ভালো। কেননা মহাকাল এই সমস্ত কিছুকে নিমেষের মধ্যে গ্রাস করে নেয়।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুখেন্দুশেখর রায় একথার মধ্যে দিয়ে বিজেপির উদ্ধত্যকে তুলে ধরে তা সমঝে চলার পরামর্শ দিলেন। এদিন সংস্কৃতকে “সব ভাষার জননী” বলে এই তৃণমূল সাংসদ বলেন, “বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির সংস্কৃতির এক মুসলিম অধ্যাপককে হেনস্থা ও মারধর করা হয়েছে। অথচ সরকারের বিলে সবার জন্য শিক্ষার কথা বলা হচ্ছে। এ কেমন চেহারা! আগামী দিন অন্য কোথাও একই ঘটনা ঘটবে না, তার নিশ্চয়তা কোথায়! দেশি-বিদেশি বহু ভাষা সৃষ্টি হয়েছে সংস্কৃতি থেকে। তা সত্ত্বেও সংস্কৃত প্রায় বিলুপ্ত ভাষা। কলকাতায় দেশের অন্যতম প্রাচীন সংস্কৃত কলেজকে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এখন দেশের আরও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় করা হচ্ছে। এটা খুশির বিষয়।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ঔদ্ধত্য হলে তার পতন অনিবার্য। সরকারের পক্ষ থেকে যখন সংস্কৃত শিক্ষা নিয়ে সংসদে বিল পাস করা হচ্ছে, তখন তাকে সমর্থন করে সংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে সেই কথা তুলে ধরে বিজেপিকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের এই সাংসদ।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!