এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সাধন, মহুয়া, অনুব্রতর পর দুর্নীতি নিয়ে সরব এবার দলেরই প্রভাবশালী নেত্রী! তীব্র অস্বস্তি শাসকদলে!

সাধন, মহুয়া, অনুব্রতর পর দুর্নীতি নিয়ে সরব এবার দলেরই প্রভাবশালী নেত্রী! তীব্র অস্বস্তি শাসকদলে!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দলের শীর্ষস্তরের পক্ষ থেকে বারবার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে যেখানে আমপান থেকে করোনা নিয়ে কটাক্ষ করা হচ্ছে, সেখানে তৃনমূলের পক্ষ থেকে মানুষের পাশে থাকতে নেতাদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীরা অভিযোগ করলে তা যাতে খন্ডন করা যায়, তার জন্য বার্তা দিয়েছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু এবার এই দুর্নীতি নিয়ে তৃনমূলের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে দিল তৃনমূল কংগ্রেস।

জানা গেছে, গত দুমাস আগে কালনার কল্যানপুর এলাকায় তৃনমূলের কার্যালয় থেকে বেশ কিছু রেশন কার্ড উদ্ধার হয়। আর এরপর থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। কিন্তু আর বিরোধীরা নয়, এবার তৃনমূলের দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন কালনা 2 পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নীলিমা কপ্তি।

সূত্রের খবর, সোমবার কালনা মহকুমা শাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। যার ফলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, কালনা 2 পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নীলিমা কপ্তি অভিযোগে দাবি করেছেন, যাদের রেশন কার্ড নেই, তাদের রেশন দিতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। কারণ তাদের রেশন কার্ড আগেই তৈরী হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চাপে পড়ে লুকিয়ে রাখা রেশন কার্ডগুলো উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, “কাজ করার জন্য মানুষ আমাদের নির্বাচিত করেছেন। সরকার মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার জন্য রেশন কার্ড তুলে দেয়। এক শ্রেণীর লোকজন মানুষকে বঞ্চিত করার জন্য নিজেদের কাছে রেশন কার্ড রেখে দিয়েছিলেন, এটা জানার পর চুপ থাকি কি করে!” তবে তৃণমূলের এই নেত্রী যেভাবে শোরগোল তুলে দিলেন, তাতে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হচ্ছে, এর সঙ্গে তাদের কোনো যোগ নেই।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিডিও মিলন দেবগড়িয়া বলেন, “সরকারি নির্দেশ থাকলে তবেই খাদ্য দপ্তরকে সাহায্য করা হয়।” তবে তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে খোদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সরব হওয়ায় এখন বিরোধীদের হাতে নতুন করে রাজনৈতিক অস্ত্র চলে এসেছে। এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা বিজেপি সভাপতি ধনঞ্জয় হালদার বলেন, “আমরা তো অনেকদিন ধরে নিয়ে দুর্নীতির কথা বলে আসছি। প্রশাসন সঠিকভাবে তদন্ত করুক। তাহলেই ঝুলি থেকে বেড়াল বেরোবে।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে কংগ্রেসের মহকুমা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, “রেশন নিয়ে দুর্নীতির নানা দিক তুলে ধরে প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।” সব মিলিয়ে এবার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দুর্নীতির ব্যাপারে প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে সরব হওয়ায় তৃণমূলের অস্বস্তি যে অনেকটাই বৃদ্ধি পেল, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!