এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূল নেত্রীর “ম্যায় হুঁ না”-র প্রচার দেখে রাজ্যপাল ধনকড় এবার পাল্টা দিলেন মোক্ষম চাল!

তৃণমূল নেত্রীর “ম্যায় হুঁ না”-র প্রচার দেখে রাজ্যপাল ধনকড় এবার পাল্টা দিলেন মোক্ষম চাল!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত 21 জুলাই তৃণমূলের ভার্চুয়াল সভার একদম শেষ লগ্নে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হঠাৎ করেই একটি শব্দ প্রয়োগ করে ফেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তিনি কর্মী-সমর্থকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, “ম্যায় হু না।” আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বক্তব্য দেওয়ার পরেই তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মনে নতুন করে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। অনেকেই বলতে শুরু করেন, ছোট্ট একটি শব্দ প্রয়োগ করে ভবিষ্যতের বার্তা দিলেন দলনেত্রী। তিনি বুঝিয়ে দিলেন যে, তিনি পাশে থাকতে কোনো অসুবিধে কাউকে স্পর্শ করতে পারবে না।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ম্যায় হু না বক্তব্যকে নতুন আঙ্গিকে জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে পাল্টা তৃণমূলের তরফে পোস্টার তৈরি করা হয়েছে। যেখানে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, যে কোনো সমস্যায় মানুষের পাশে একমাত্র দিদিই আছেন। আর তৃণমূল যখন “ম্যায় হু না” পোস্টার তৈরি করে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে, ঠিক তখনই তার পাল্টা “ম্যায় ভি হু না” বলে টুইট করলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।

সূত্রের খবর, এদিন একটি টুইট করে রাজ্যপাল লেখেন, “ম্যায় ভি হু না।” যেখানে রাজ্যবাসীর স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী এবং তিনি জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করার আবেদন জানান। রুমন’এর পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য কে হাতিয়ার করে যখন বাংলার মানুষের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন বলে পাত্তা দেওয়া হচ্ছে ঠিক তখনই পাল্টা স্লোগান দিয়ে রাজ্যপালের এই ধরনের মন্তব্য এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি করছে বঙ্গ রাজনীতিতে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অনেকে বলছেন, তাহলে কি এই বিষয়েও রাজ্যের শাসক দল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিতে ময়দানে নেমে পড়লেন রাজ্যপাল? তিনি বুঝিয়ে দিতে চাইলেন যে, শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়, রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে তিনিও রাজ্যবাসীর পাশে থেকে কাজ চালিয়ে যাবেন!

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আসলে রাজ্যপালের এই ধরনের ট্যুইটের পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। প্রায় প্রতিটি বিষয়েই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার মতানৈক্য তৈরি হতে দেখা যায়। এমনকি বেশ কিছু সময় তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, রাজ্যপাল বিজেপির কথা মত কাজ করছে।

কিন্তু তৃণমূল যখন তাদের দলীয় স্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার করতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই কেন পাল্টা নিজের স্লোগান তৈরি করে প্রচারে নামলেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তবে যে যাই বলুন না কেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের “ম্যায় হু না” বনাম রাজ্যপালের “ম্যায় ভি হু না” প্রতিযোগিতা বঙ্গ রাজনীতিতে যে চরম আকার ধারণ করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!