এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > মুদির দোকান চালানো তৃণমূল নেতারও সরকারি দেহরক্ষী, তীব্র বিতর্ক পূর্ব বর্ধমানে

মুদির দোকান চালানো তৃণমূল নেতারও সরকারি দেহরক্ষী, তীব্র বিতর্ক পূর্ব বর্ধমানে



মুদির দোকানদার। অথচ তাঁরও সরকারি দেহরক্ষী। ব্যাপারটা শুনতে অস্বাভাবিক মনে হলেও তিনি যে তৃনমূল নেতা। তাই তাঁর দেহরক্ষী পাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই যুক্তিতে অনেকেই ভ্রু কোঁচকাতে শুরু করেছেন। একাংশের মতে, শাসকদলের সামান্য নেতা হয়েই দেহরক্ষী থাকবে!” আসলে কেন এই মুদির দোকানদার তৃনমূল নেতার দেহরক্ষী রয়েছে সেই ব্যাপারে জানতে হলে অতীতকে ফিরে দেখতেই হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মুদির দোকানদার পূর্বস্থলী 2 ব্লকের তৃনমূল নেতা পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায় 2008 এ বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে যোগদান করেন। ঘাসফুল শিবিরে পা রেখেই তিনি প্রাক্তন তৃনমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট হলে দুটি গোষ্ঠীতে সেখানে বিভক্ত হয় তৃনমূল। সেই পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেন জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল দাস। আর এরপরেই এই পূর্বস্থলী 2 তে বিভিন্ন সময়ে নানা কারনে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয় তৃনমূল কংগ্রেস। আর এই গন্ডগোলকে থামাতে সেই পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় এবং জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল দাসকে একটি করে নিরাপত্তিরক্ষী দেয় জেলা পুলিশ। কিন্তু তাও একজন মুদির দোকানদারের পাশে সরকারি দেহরক্ষী থাকাতে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন অনেকেই।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা যায়, পূর্বস্থলী 2 ব্লকের রথতলা এলাকার বাসিন্দা এই পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়ের দোতালার বাড়িতে ছটি সিসিটিভি লাগানো আছে। একদম নীচতলার মুদির দোকানে যতক্ষন এই পঙ্কজবাবু থাকেন ঠিক ততক্ষনই বসে থাকেন তাঁর দেহরক্ষী। এমনকী রাতে সেই তৃনমূল নেতার বাড়িতেই থাকেন সেই নিরাপত্তারক্ষী। এদিকে একজন মুদির দোকানদার এবং তৃনমূল নেতা হয়েই যেভাবে নিরাপত্তারক্ষী পাচ্ছেন এদিন তা নিয়ে পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়েছেন পূর্বস্থলীর প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক সুব্রত ভাওয়াল। তিনি বলেন, “10 বছর বিধায়ক থাকা সত্তেও কোনো নিরাপত্তারক্ষী নিইনি। আসলে তৃনমূলের গোষ্টীদ্বন্দ্বেই এই নিরাপত্তারক্ষী। পুলিশ যদি নেতাদেরই নিরাপত্তা দিতে ব্যাস্ত থাকে তাহলে সাধারন মানুষকে দেখবে কে?” এদিকে যাঁকে নিয়ে এতকিছু সেই তৃনমৃল নেতা পঙ্কজ গঙ্গোপাধ্যায় কিন্তু রয়েছেন স্বমেজাজেই। এদিন তিনি বলেন, “পুলিশ কেন দেহরক্ষী দিয়েছে তা পুলিশকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন।” সব মিলিয়ে এখন মুদির দোকানদার তৃনমূল নেতার দেহরক্ষী পাওয়া নিয়ে তীব্র বিতর্ক পূর্বস্থলীতে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!