এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > সবং উপনির্বাচনে জয়ের মধ্যেও অন্তর্দ্বন্দ্বের চোরাস্রোত সামনে চলে এল শাসক শিবিরে

সবং উপনির্বাচনে জয়ের মধ্যেও অন্তর্দ্বন্দ্বের চোরাস্রোত সামনে চলে এল শাসক শিবিরে

Priyo Bandhu Media


সবং কেন্দ্রে ১৯৮২ সাল থেকে মোট ৬ বার জিতেছিলেন কংগ্রেসের মানস ভুঁইয়া। তাঁর স্ত্রী গীতা ভুঁইয়া এ বার ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে মানসবাবুর গত ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের চেয়ে বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। সব মিলিয়ে তাদের ভোটের হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ১৫%। কিন্তু অস্বস্তি থাকছে তার পরেও। সবং এলাকার অন্তত ৪টি অঞ্চলে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। এই এলাকাগুলোতে তৃণমূলের তরফে নেতৃত্ত্বের দায়িত্ত্বে রয়েছেন নারায়ণ সাঁতরা, শঙ্কর জানা, নিবারণ সামন্ত এবং অমূল্য মাইতি। জয়ের আনন্দে এই অস্বস্তির কাঁটা এখন ধামাচাপা পড়লেও তৃণমূলের একাংশ মোটেই এই পরিস্থিতি ভাল ভাবে নিচ্ছেন না। তাঁরা চাইছেন, সবংয়ের ফলের এই দিকটা মানসবাবুরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে আনুন। যাতে পরে বড় ‘বিপদ’ না হয়। অবশ্য এই নিয়ে মানসবাবুর বক্তব্য, এই জয় ভালবাসার জয়, স্নেহের জয়, মমতার জয়। ফলে এখন আর অন্য কিছু ভাবছেন না তিনি।
আপাতত গভীর অস্বস্তিতে অবশ্য কংগ্রেসই। আগেকার জেতা আসনে তারা চতুর্থ! যদিও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের দাবি, প্রচুর প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে কংগ্রেসের কর্মীরা যে লড়াই করেছেন, সেটাই বড় কথা। বিরোধীরা অবশ্য অভিযোগ করছেন ময়না, পটাশপুর, পিংলার লাগোয়া বুথগুলিতে তৃণমূল আশ্রিত বাহিনী ঢুকিয়ে শাসক তৃণমূলকে জিতিয়ে বিরোধীরা কে কত ভোট পাবে, সবই ‘নির্ধারণ’ করে দেওয়া হয়েছে! দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় অবশ্য মন্তব্য করেছেন, কে কোথায় পড়েছিলেন, জলে পড়েছিলেন নাকি কাদায়, তিনি তা জানেন না! কে কোন স্থান পেয়েছে, তা নিয়েও তিনি ভাবছেন না। তাঁদের কাছে মূল বিষয় হল, মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে আস্থা রেখেছেন। আপাতত অস্বস্তিতে থাকলেও জয়ের আনন্দে সেই সকল অস্বস্তিকে ভুলে যেতে চাইছে তৃণমূল। এমনটাই মনে করছেন গোটা রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!