এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > নেত্রীর হুঁশিয়ারিকে থোড়াই কেয়ার, গোষ্ঠীকোন্দলে ভাংচুর দলীয় কার্যালয়ে

নেত্রীর হুঁশিয়ারিকে থোড়াই কেয়ার, গোষ্ঠীকোন্দলে ভাংচুর দলীয় কার্যালয়ে

Priyo Bandhu Media


দলনেত্রীর নির্দেশ কার্যত অমাণ্য করেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে গোষ্ঠী বিবাদ অব্যাহত। যার ফলে এদিন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার গোসানিমারিতে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুড় হলো। যুব তৃণমূল কংগ্রেস মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরাই এদিনের হামলার নেপথ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ঐ জেলার বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব পথ অবরোধ করে বলে জানা গিয়েছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

যদিও এদিনের ঘটণার দায় আগাগোড়াই অস্বীকার করেছে যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রসঙ্গতঃ কোচবিহার জেলায় গোষ্ঠী বিবাদের ঘটনা নতুন কিছু নয়। বহুদিন হরেই এমন চলে আসছে। সম্প্রতি দলের কোর কমিটির বৈঠকে দলনেত্রী দলের সকল নেতা ও কর্মীকে মাথা ঠান্ডা রেখে চলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এদিনের ঘটনার পরেই দলনেত্রীর নির্দেশ কে যে দলের বহু নেতা কর্মীই অগ্রাহ্য করছে তা স্পষ্ট হয়ে গেলো। গোসানিমারির ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা-১ ব্লক সভাপতি নুর আলম হোসেন বললেন, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নামধারী দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অবশ্য এদিনের ঘটনায় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা প্রসঙ্গে আনা অভিযোগকে কার্যতই অস্বীকার করে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সম্পাদক নিশীথ প্রামাণিক বললেন, “যুব তৃণমূল, তৃণমূলের যুব সংগঠন। কাজেই যুবরা এই ধরনের ঘটনা ঘটাতেই পারে না। ” দিনহাটা থানার পুলিশ গোটা বিষয়ের তদন্ত করছে। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের লক্ষ্য দলনেত্রীর সিদ্ধান্তের ওপরে কারণ সম্প্রতি দলের কোর কমিটির বৈঠকে তিনি জানিয়েছিলেন দলের অন্দরের কলহকে প্রশ্রয় দেবেন না।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!