এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > শাসকদলের ছাত্র সংসদের দুই গোষ্ঠীর লড়াই গড়ালো বোমাবাজি ও আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনে

শাসকদলের ছাত্র সংসদের দুই গোষ্ঠীর লড়াই গড়ালো বোমাবাজি ও আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনে



গতকাল কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিট সভাপতির পুরনো মতবিরোধ শেষপর্যন্ত বোমা বাজির দিকে গড়ালো। কলেজের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অমরেশ মণ্ডলের কথা অনুসারে জানা যায় ঐদিন কলেজে পরীক্ষা চলছিলো, দুপুর পৌনে ২ টো নাগাদ কোনো কারণ ছাড়াই গেটের কাছে পরপর দু’টো বোমা ফাটে। দা, লাঠি, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছোটাছুটি করতে থাকে এক দল যুবক। ক্যান্টিনে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। এরপর শূন্যে এক রাউন্ড গুলিও ছোড়া হয়। অমরেশ বাবু জানান, বোমার শব্দ শুনে আমরা বেরিয়ে আসি। কয়েকটা ছেলের হাতে অস্ত্র ছিল। তবে ওদের চিনতে পারিনি। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি থানার পুলিশ এলে লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের খবরানুযায়ী, এর আগে কলেজে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঘটলেও এইভাবে বোমাবাজি বা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বিপুলভাবে এইভাবে হয় নি। সূত্রের খবর, ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সৈকত ঘোষের ঘনিষ্ঠ ছাত্রনেতা দ্বিতীয় বর্ষের সৌরভ দাস হামলার সময়ে কলেজে ছিলেন। তিনি জানান যে, ওদের ভয়ে এত দিন কলেজেই ঢুকতে পারছিলাম না আমরা। দু’দিন ধরে ঢুকছি। তাতেই ওদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই এই হামলা। ওরা বহিরাগতদের নিয়ে এসে কলেজে নানা অসামাজিক কাজকর্ম করে। ভর্তির সময়ে লক্ষ-লক্ষ টাকা তোলে। আমরা সে সবের বিরোধিতা করেছি, তাই এই হামলা। সৌরভের এই অভিযোগ আগাগোড়া ভিত্তিহীন বলে দাবি করে টিএমসিপি-র কলেজ ইউনিটের সভাপতি সুজয় হালদার জানান, সৈকতরা জোর করে কলেজ দখল করে রেখেছে। নানা আর্থিক দুর্নীতি করছে। কলেজে ঢুকতে দিচ্ছে না। আজ ঢুকতে গেলে ওরাই আমাদের বোমা মারে। হামলা চালায়। যদিও টিএমসিপির জেলা সাভাপতি অয়ন দত্ত বলেন দুই গোষ্ঠী আদৌও একই সংগঠনের কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!