এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ফের প্রকাশ্যে তৃনমূলের গোষ্ঠী কোন্দল

ফের প্রকাশ্যে তৃনমূলের গোষ্ঠী কোন্দল



পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলের অন্দরে গোষ্ঠী দ্বন্দ রুখতে একাধিক বার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপরেও একের পর এক গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের খবর উঠে আসছে। এবার আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রামে শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই প্রকাশ্যে এসেছে। দলীয় সূত্রে খবর, কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলের ব্লক সভাপতি দুলাল দে এবং কার্যকরী সভাপতি ধীরেশচন্দ্র রায়ের মধ্যে মত-বিতর্কের জেরে দ্বন্দ বাঁধে। এই ঘটনাকে ঘিরে দলের অন্দরে ক্ষোভ -চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য,কুমারগ্রাম ব্লকের ১১টি অঞ্চলে কমিটি থাকার পরেও ধীরেশবাবুর গোষ্ঠী কাম্যাখ্যাগুড়ি ১,২ এবং খোয়ারডাঙা-২ অঞ্চলে পৃথক কমিটি গঠন করেন । এরপরেই গোষ্ঠী দ্বন্দ বাঁধে। যদিও ধীরেশবাবু শাসকদলেরই অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন,দলের কিছু স্বার্থপর নেতা নিজেদের ইচ্ছামত দল চালাচ্ছে। দলের কোনো কর্মসূচির ব্যাপারে আমাদের জানানো হয়না। এই ফলে দলের অন্দরে ক্ষোভ-বিদ্বেষ তৈরি হয়েছে। যার সুযোগ নিচ্ছে বিরোফি দল গুলি। তাই দলকে বাঁচাতে আলাদা করে কমিটি গঠনের প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও জানান, ব্লকের বাকি ৮টি অঞ্চলেও কমিটি গঠন করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জেলা সভাপতি মোহন শর্মা বলেন, সরকারি ও দলীয় কাজে কলকাতায় রয়েছি। ফিরে গিয়ে ঘটনা খতিয়ে দেখব।তবে সূত্রে খবর ,এই গোষ্ঠিকন্দলের জেরে জেলা নেতৃত্ব অস্বস্তিতে।নতুন করে বাকি ব্লক গুলিতে আলাদা করে কমিটি গঠন করা হলে দ্বন্দ আরও বাড়বে বলেই মনে করছে তারা। এই দ্বন্দকে রুখতে আগেও জেলা সভাপতি বৈঠক ডাকেন । দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সমস্যা মেটাতে তিনি সংসদ সদস্য দশরথ তিরকিকে জেলা পর্বেক্ষক ঘোষণা করেন। কিন্তু নতুন করে এই ঘটনা দ্বন্দকে আরও উস্কানি দিল। তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মত জেলা ব্লক সভাপতি দুলাল দে।তিনি জানান, ধীরেশবাবুদের অভিযোগ ভিত্তিহীন । ওনাদের কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানো হলেও আসেন না। দলের কোনোরকম অনুশাসন মানতে তাঁরা নারাজ। এই পরিস্থিতিতে জেলা নেতৃত্বকে সমস্ত ঘটনায় জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!