এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ >  নেত্রীর নির্দেশ মত পার্টি অফিস দখল করতে গিয়ে আক্রান্ত তৃণমূল হেভিওয়েট নেতা

 নেত্রীর নির্দেশ মত পার্টি অফিস দখল করতে গিয়ে আক্রান্ত তৃণমূল হেভিওয়েট নেতা



লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যে তৃণমূলের অনেকটাই ভরাডুবি হয়েছে। গত 2014 সালে তৃণমূল যে 34 টা আসন পেয়েছিল, তা থেকে কমে এবার তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 22 টিতে। অন্যদিকে বিজেপি দুটি আসন থেকে 18 টি আসনে পৌঁছে গিয়েছে। আর রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের এই উত্থানের পরই শাসক দল তৃণমূলের বিভিন্ন পার্টি অফিস বিজেপি দখল করছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করে। যাকে ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি।

আর শনিবার কালীঘাটের বাসভবনে দলের ফলাফল পর্যালোচনা নিয়ে বৈঠকের পরই দলের সমস্ত জেলা নেতৃত্বকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন যে, দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিসগুলো আগামী সোমবারের মধ্যে উদ্ধার করতে হবে।

নেত্রীর এই নির্দেশের পরই বিভিন্ন জেলায় এখন দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিসগুলো উদ্ধার করতে শুরু করেছেন শাসক দলের নেতাকর্মীরা। আর এইরকমই জলপাইগুড়িতে দখল হয়ে যাওয়া একটি পার্টি অফিস উদ্ধার করে গিয়ে বিজেপির প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীকে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যায় টেকাটুলিতে বিজেপির দখল করা তৃণমূলের শাখা অফিস উদ্ধার করে ময়নাগুড়ির জর্দা সেতু দিয়ে জলপাইগুড়ি ফেরার সময় জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন সৌরভ চক্রবর্তী। আর তারপরই বিজেপির একদল সমর্থক সেই পুলিশের কাছে আসলে তারা সৌরভ বাবুকে হাতেনাতে পেয়ে গেলে তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

এমনকি এই তৃণমূল নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল এবং তার গাড়ির পেছন দিক থেকে কাচ ভেঙে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। আর এরপরই এই গোটা ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয় শাসক দল। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটে জিতে পার্টি অফিস দখল করে এখন সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।

অন্যদিকে সৌরভ চক্রবর্তীর উপর বিজেপির এই আক্রমণের অভিযোগ অস্বীকার করে নিয়েছেন জেলা বিজেপির সম্পাদক বাপী গোস্বামী। এদিন তিনি বলেন, “তৃণমূল এখন অস্তিত্ববিহীন। তাই নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।” সব মিলিয়ে এবার নেত্রীর নির্দেশ মত দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল জলপাইগুড়ির হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা সৌরভ চক্রবর্তীকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!