এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ষষ্ঠ দফার ভোটের আগে ফের জল্পনা বাড়িয়ে তৃণমূল সরকারের চাপ বড়সড় দাবি করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়

ষষ্ঠ দফার ভোটের আগে ফের জল্পনা বাড়িয়ে তৃণমূল সরকারের চাপ বড়সড় দাবি করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়



তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পরই মুকুল রায় দাবি করেছিলেন, তার সাথে তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, বিধায়করা যোগাযোগ রাখছেন। এমনকি মুকুলবাবুর এই কথা বাস্তবের সাথে অনেকটাই মিলে যায় যখন তৃণমূলের সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরা এবং অর্জুন সিংহের মতো নেতাদের বিজেপিতে যোগদান করতে দেখা যায়। বর্তমানে লোকসভা ভোটকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

বিজেপির শীর্ষ নেতা নেত্রীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তৃণমূলের অনেক বিধায়ক লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরই বিজেপিতে নাম লেখাবেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারসভায় এসে তৃণমূলের 40 জন বিধায়ক বিজেপিতে নাম লেখানোর জন্য যোগাযোগ রাখছেন বলেও মন্তব্য করেছেন। যদিও বা বিজেপির এই সমস্ত দাবিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃনমূল। তবে এরই মাঝে এবার রাজ্যের বর্তমান তৃণমূল সরকারের অস্তিত্ব আর তিন মাস বলে মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

সূত্রের খবর, এদিন উত্তর 24 পরগনার ভাটপাড়ায় অ্যালায়েন্স লাইন জুটমিলের গেটের সামনে ভাটপাড়া বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহের পুত্র পবন সিংহের সমর্থনে একটি সভায় উপস্থিত হন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। আর সেখান থেকেই তিনি বলেন, “এই রাজ্য সরকারের আয়ু আর মাত্র তিন মাস। তারপরই তৃণমূলের অধিকাংশ বিধায়ক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবে এবং দিদির সরকার পড়ে যাবে।”


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে যখন সরব হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তখনই এদিনের সভা থেকে তারও জবাব দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, “যখন সিপিএমকে সরিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল, তখন কি উনি টাকা দিয়ে ভোট কিনেছিলেন? বাংলার ভোটাররা অত্যন্ত সচেতন। তারা দিদির সরকারের অধীনে বিরক্ত হয়ে উঠছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কথা বলে আদতে বাংলার ভোটারদেরই অপমান করছেন।” পাশাপাশি এদিনের সভা থেকে এবারে তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে মানুষ বিজেপিকেই সমর্থন করবেন বলে দাবি করেন এই হেভিওয়েট বিজেপি নেতা।

কিছু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র তৃণমূল বিধায়কেরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা যদি সত্যি হয়, তাহলে বঙ্গ রাজনীতিতে এক অদ্ভুত অভিনব কিছু ঘটতে চলেছে। তবে কি হবে, আর কবেই বা এই ধরনের ঘটনা ঘটবে! তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে আগামী 23 মে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!