এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ধর্মঘট ইস্যুতে মমতাকে জোর কটাক্ষ সোমেনের, জেনে নিন!

ধর্মঘট ইস্যুতে মমতাকে জোর কটাক্ষ সোমেনের, জেনে নিন!



 

ক্ষমতায় আসার আগে মাঝে মধ্যে ধর্মঘটে সামিল হতে দেখা যেত তৃণমূল কংগ্রেসকে। তবে 2011 সালে রাজ্যের ক্ষমতায় বসার পর থেকেই বনধের সর্বাত্মক বিরোধিতা করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। বর্তমানে তৃণমূল সারা ভারতবর্ষের মধ্যে বিজেপির বিরোধিতায় অন্যতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত। নাগরিকত্ব থেকে আধার কার্ড, প্রায় প্রত্যেকটা ঘটনাতেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

আর এমত পরিস্থিতিতে বুধবার সারা দেশজুড়ে চব্বিশটি সংগঠনের ডাকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। যে ধর্মঘটের সমর্থনে বাম এবং কংগ্রেস ব্যাপক প্রচার করেছিল। এমনকি তারা দাবি তুলেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিরোধী। ফলে তিনিও এই ধর্মঘটকে সমর্থন করবেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ধর্মঘটের আপামর বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস ধর্মঘটকে সমর্থন করেনি।

সেক্ষেত্রে ঘাসফুল শিবিরের যুক্তি ছিল, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই সমস্ত ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করা যায়। কিন্তু ধর্মঘট করে সাধারণ মানুষকে হয়রান করা যায় না। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে হলেও, কেন বিজেপি বিরোধিতায় ডাকা ধর্মঘট তিনি সমর্থন করছেন না! তা নিয়ে এবার তাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত, মঙ্গলবার উত্তর 24 পরগনার ব্যারাকপুর প্রশাসনিক ভবন অভিযানে আসেন বঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। আর সেখানেই বুধবারের বনধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন তিনি। সোমেন মিত্র বলেন, “বনধ নিয়ে তৃণমূল দ্বিচারিতা করছে। একদিকে বলছেন এনআরসি মানবেন না, আবার এই ইস্যুতে আমাদের বনধকে ব্যর্থ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি ইস্যু সমর্থন করছেন, কিন্তু বনধকে সমর্থন করছেন না। এটা তৃণমূলের দ্বিচারিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফ্যাসিস্টদের নায়কদের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করছেন, আবার রাজীব কুমারকে বাঁচাতে দিল্লি গিয়ে ওই ফ্যাসিস্টদের নায়কদের সঙ্গে বৈঠক করে আসছেন। কংগ্রেস এরকম দ্বিচারিতা করে না।” আর বঙ্গ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এরূপ প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে দিয়ে রাজনীতিতে তীব্র ঝড় তুলে দিলেন বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

বস্তুত, মাঝেমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কংগ্রেস এবং বিজেপি এক হয়ে বাংলায় রাজনীতি করছে। তলায় তলায় তারা তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এক হয়েছে। কিন্তু এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বনধ ডাকলেও কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা সমর্থন করছেন না! তা নিয়ে পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি এক বলে দাবি করলেন সোমেন মিত্র।

পাশাপাশি রাজীব কুমারের ঘটনার কথা তুলে ধরেও বিজেপি-তৃণমূলের “গটআপের” কথা তুলে ধরার চেষ্টা করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বিজেপি এবং তৃণমূল, দুই রাজনৈতিক দলকে “একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ” বলে সোমেন মিত্র নিজের দল কংগ্রেসকে পাদপ্রদীপে ওপরে উঠিয়ে আনার চেষ্টা করলেও, তা কতটা সফল হয়! এখন সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!