এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > তৃণমূলী চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের, পৌরভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা!

তৃণমূলী চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের, পৌরভোটের আগে বাড়ছে জল্পনা!



বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে প্রতিনিয়ত যেভাবে তরজা হতে দেখা যায়, তাতে সৌজন্য এখন প্রায় মিলিয়েই গেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যদি বিরোধী দলের নেতা শাসকদলের প্রতি সৌজন্য দেখান, তাহলে তা রাজনীতিতে প্রবল জল্পনার সৃষ্টি করে। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সৌজন্যমূলক ঘটনা ঘটার পরেই সেই জল্পনাকে সত্যি করে শিবির বদলাতেও দেখা গেছে অনেক নেতাকে। যার ফলে এখন বঙ্গ রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী সৌজন্যে দেখে অনেকে মনে করেন যে, হয়ত বা সেই নেতা রং বদলাতে চলেছেন। এমত একটা পরিস্থিতিতে এবার জলপাইগুড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা মোহন বসুকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মোহনবাবু্। এদিকে সংসদের অধিবেশন থাকায় দিল্লিতে থাকা জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ জানতে পারেন যে, মোহন বসু অসুস্থ। আর তখনই বিজেপির জয়ন্ত রায় খোঁজ নিয়ে তৃণমূলের এই নেতার সাথে হাসপাতালে দেখা করেন। জানা গেছে, এদিন হাসপাতালে মোহন বসুর সঙ্গে প্রায় 45 মিনিটের বেশি কিছু সময় কথা বলেছেন বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়। যে ঘটনা এখন তীব্র জল্পনা সৃষ্টি করেছে সর্বত্র।

অনেকেই বলছেন, সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। তার আগে তৃণমূলের জলপাইগুড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান মোহন বসুকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে, তার সঙ্গে বেশ কিছু সময় কাটিয়ে বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায় কি অন্যকিছু বার্তা দিতে চাইলেন! একাংশের মতে, জল্পনা থাকতেই পারে। কিন্তু এটা রাজনৈতিক সৌজন্য‌। আর সেই সৌজন্যের খাতিরেই বিরোধী হলেও নিজের শহরের চেয়ারম্যান মোহনবাবু অসুস্থ জেনে, দিল্লিতে তার সঙ্গে দেখা করে সৌজন্যের বার্তা দিলেন বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়। কি কথা হল দুজনের মধ্যে!


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায় বলেন, “এটা রাজনৈতিক সৌজন্য। আলাদা দল হলেও আমরা দুজনেই জনপ্রতিনিধি। মোহন বসুও জলপাইগুড়ির মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন, আমিও তাই করছি। কে কোন দলের, তা বড় কথা নয়।” অন্যদিকে তার সঙ্গে বিজেপি সাংসদদের সাক্ষাৎ করতে আসা নিয়ে জলপাইগুড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা মোহন বসু বলেন, “সাংসদের রাজনৈতিক সৌজন্যে আমি খুশি। এই সৌজন্য জলপাইগুড়ির চিরাচরিত প্রথা।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুজনের মুখেই “সৌজন্য” নামক কথাটি বারেবারে ফুটে উঠলেও, পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই সৌজন্য কি দু’জনকেই আরও বেশি করে ঘনিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে! অনেকে বলছেন, রাজনীতিতে কখন কি হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না কেউই। তবে পৌরসভা নির্বাচনের আগে অসুস্থ হয়ে যাওয়া তৃণমূলের চেয়ারম্যান মোহন বসুকে দেখে বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়ের 45 মিনিটের বেশি সময় কাটানো অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। এখন বিশেষজ্ঞদের সেই ইঙ্গিত বাস্তবে কতটা ফলপ্রসু হয়! সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!