এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > দলের হুইপ অগ্রাহ্য করে নিজেদের প্রার্থীকে পদ, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে হেভিওয়েট নেত্রী

দলের হুইপ অগ্রাহ্য করে নিজেদের প্রার্থীকে পদ, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে হেভিওয়েট নেত্রী



দলীয় নির্দেশ থাকা সত্তেও পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনে সেই নিয়মকে তোয়াক্কা করে দিকে দিকে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে প্রধান পদে বসানো নিয়ে তুমুল বিবাদ শাসকদলেরই দুই গোষ্টীর মধ্যে। সূত্রের খবর, চৌধুরীহাটের গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদে মুখবন্ধ খামে গোলাপি রায় বর্মনের নাম থাকলেও তৃনমূলের একটি গোষ্টীর বেরুদ্ধে সেই দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করে অন্যজনকে প্রধান করার অভিযোগ ওঠে। আর এই ঘটনার পরেই সেই পঞ্চায়েত অফিসেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সেই গোলাপী রায় বর্মন।

জানা গেছে, বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। এদিন এই প্রসঙ্গে গোলাপীদেবীর স্বামী নরেশ বর্মন বলেন, “ও এখন কথা বলার অবস্থায় নেই। হার্টের অসুখ রয়েছে। দলের পাঠানো খামে প্রধান পদে ওর নাম থাকা সত্তেও তা না মানায় গন্ডগোলের জেরেই আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে।” যারা দলের নির্দেশ মানবে না তাঁদের বিরুদ্ধে দল কড়া ব্যাবস্থা নেবে বলে এদিন জানিয়ে দেন দিনহাটা 2 ব্লকের তৃনমূল সভাপতি মীর হুমায়ুন কবীর। কিন্তু দলের মননোনীতরাই যে প্রধান হয়েছেন সে ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সিতাইয়ের তৃনমূল বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে চৌধুরীহাটের পাশাপাশি শুকারু কুঠিতেও বোর্ড গঠনে প্রকাশ্যে এল সেই শাসকদলেরই গোষ্টীকোন্দল। জানা যায়, এই শুকারুকুঠিতে তৃনমূলের প্রাক্তন প্রধান বিষ্নু সরকার এবং যুব নেতা দীপক রায়ের দুটি পৃথক পৃথক গোষ্টী রয়েছে।প্রথমে বিষ্ণু সরকার তাঁর পক্ষে থাকা জয়ী সদস্যদের সীমান্ত এলাকায় রেখে এলে পরে দলের নির্দেশে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন। প্রবল গোষ্টীকোন্দল থামাতে এখানকার প্রধান পদে দলের তরফে তৃতীয় ব্যাক্তি সেকেন্দার আলির নাম পাঠালেও তা অমান্য করে ভোটাভোটিতে গিয়ে 10-7 ভোটে জয়ী হয়ে প্রধান হন সেই বিষ্ণু সরকারই। কিন্তু দলের মনোনীত প্রার্থীকে প্রধান না করায় শীর্ষনেতৃত্বকে সব জানানো হবে বলে এদিন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন স্থানীয় তৃনমূল নেতা ফারুক মিঁয়া। সব মিলিয়ে এবার বোর্ড গঠনে দলের নির্দেশ অমান্য করে দলকেই বিড়ম্বনায় ফেলছেন শাসকদলের নেতা কর্মীরা।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!