এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পৌরসভা ভোটের মুখে বড়সড় জয় তৃণমূলের, আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির, জোর চাঞ্চল্য

পৌরসভা ভোটের মুখে বড়সড় জয় তৃণমূলের, আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির, জোর চাঞ্চল্য



বিগত লোকসভা নির্বাচনের পর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ একাধিক সদস্যের বিজেপিতে যোগদানে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। পরবর্তীতে অবশ্য অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। বিপ্লব মিত্রের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া একাধিক সদস্য ফিরে আসেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এমনকি জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায়ও অর্পিতা ঘোষের হাত ধরে যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে।

তবে সভাধিপতি ফিরে আসলেও, বিজেপিতে থাকা দুই সদস্য এবং নির্দল সদস্য কর্মাধ্যক্ষ থাকায়, তাদের কাছ থেকে যাতে কর্মাধক্ষ পদ নিজেদের দিকে নেওয়া যায়, তার জন্য মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অবশেষে জেলা পরিষদের বিজেপি স্থায়ী সমিতির সদস্যদের বিরুদ্ধে অনাস্থায় মঙ্গলবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করল তৃণমূল কংগ্রেস।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাগৃহে একটি সভা অনুষ্ঠিত করা হয়। যেখানে নির্দল সদস্য মফিজুদ্দিন মিয়া, বিজেপির চিন্তামণি বিহা, কৃষি কর্মাধ্যক্ষ শঙ্কর সরকার, জেলা পরিষদের সদস্য প্রতিভা মন্ডল এবং গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কালিপদ সরকার যে স্থায়ী কমিটিতে রয়েছেন, সেগুলোর বিরুদ্ধে ভোটাভুটি হয়। আর সেখানে জয়লাভ করে তৃনমূল কংগ্রেস।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, আগামী 15 দিনের মধ্যে অনাস্থা বৈঠক করে এই পাঁচ সদস্যকে তাদের পদ থেকে অপসারিত করা হবে। কিন্তু তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও, পাল্টা এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে গেরুয়া শিবির। আর যা নিয়েই এখন তীব্র সোরগোল সৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা রাজনীতিতে। এদিন এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায় বলেন, “এদিন তলবি সভা হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে পাঁচ সদস্যকে অপসারণ করা হয়েছে। আমরা অনাস্থা আনতে মালদা ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে চিঠি করব। পুরো প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই হয়েছে।” তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করা হলেও, পাল্টা সুর চড়িয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের বিজেপির কৃষি ও সেচ কর্মাধ্যক্ষ শংকর সরকার বলেন, “পুরো অনাস্থা প্রক্রিয়া অবৈধ। আমরা এর আগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। হাইকোর্ট আগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আমরা কোর্টে এসেছি।” তবে বিজেপির এই দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করে কোর্টে যাওয়া বিজেপির কাছে অস্বস্তিতে পড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন একাংশ। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!