এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > ইচ্ছে করলেই তৃণমূলকে পিষে মারতে পারে বিজেপি – কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বয়ানে জল্পনা রাজ্য-রাজনীতিতে

ইচ্ছে করলেই তৃণমূলকে পিষে মারতে পারে বিজেপি – কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বয়ানে জল্পনা রাজ্য-রাজনীতিতে



লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ফের শিরোনামে উঠে আসতে শুরু করেছে। সম্প্রতি সন্দেশখালিতে বিজেপি কর্মীদের খুনের ঘটনা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। রবিবার সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হলে গতকাল ইংলিশবাজারের রথবাড়ি মোড়ে 34 নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে সেখানে এই ইস্যুতে প্রবল বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।

পাশাপাশি এদিন গাজোলের বিদ্রোহী মোড় থেকে শুরু একটি মিছিল গোটা এলাকা পরিক্রমা করে আবার বিদ্রোহী মোড়ে এসেই শেষ হয়। এদিকে মালদহে বিজেপির এই বিক্ষোভ কর্মসূচি যখন চলছে, ঠিক তখনই রবিবার রায়গঞ্জ থেকে মালদা হয়ে সড়কপথে কলকাতায় যাচ্ছিলেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের নারী ও শিশুকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। দলীয় নেত্রী তথা মন্ত্রীকে পেয়ে মালদহের বিজেপি কর্মীরা রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদকে সংবর্ধনা দেন।

আর এরপরই দলীয় কর্মীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারেন দেবশ্রী দেবী। আর তারপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সন্দেশখালি ঘটনায় রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান কেন্দ্রের এই নারী শিশু কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী। দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কালো জমানা বলতে 1972 থেকে 1977 সাল পর্যন্ত সময়কে বোঝাত। কিন্তু তৃণমূলের অত্যাচার ও স্বৈরাচারের মাত্রা সেই দিনগুলিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। সন্দেশখালিতে বিজেপির ওপর তৃনমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা নৃশংস আক্রমণ করেছে।”


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর এরপরই রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে এই বিজেপি নেত্রী কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “তৃণমূল বর্তমানে ক্ষয়িষ্ণু দল। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর তাদের বিধায়ক, কাউন্সিলররা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাই বিজেপির মত সর্বভারতীয় দল ইচ্ছা করলেই তৃণমূলকে পিষে মেরে দিতে পারে। কিন্তু আমরা আমাদের রাজনৈতিক শক্তি দিয়েই এর মোকাবিলা করছি। যদি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়, তাহলে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি হস্তক্ষেপের দাবি জানাব।”

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী কিছুদিন আগেই রাজ্যে বিজয় মিছিল করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও বীরভূমের বোলপুরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজয় মিছিল বের করা নিয়ে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেন দেবশ্রী চৌধুরী। তিনি বলেন, “নিজের দলের উপরই মুখ্যমন্ত্রী কোনো নিয়ন্ত্রন নেই। বিজয় মিছিল করতে নিষেধ করার পরেও বীরভূমের বোলপুরে তৃণমূল বিজয় মিছিল করেছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলে এখন আর কেউ কারও কথা শোনে না। পুলিশ তৃণমূল এক হয়ে গিয়েছে। এরকম হতে থাকলে বিজেপি কর্মীরা তার মোকাবিলা করবেন।”

সব মিলিয়ে এবার সন্দেশখালি ঘটনায় রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!