এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা >  একটি ওয়ার্ড, প্রার্থী হবেন তিনজন? লড়াই শুরু তৃনমূলে, জোর শোরগোল !

 একটি ওয়ার্ড, প্রার্থী হবেন তিনজন? লড়াই শুরু তৃনমূলে, জোর শোরগোল !



এখনও পর্যন্ত পৌরসভা নির্বাচনের দামামা বাজেনি। তবে তার আগে বর্তমানে নিজেদের জায়গা সুরক্ষিত রাখতে এবং টিকিট পাওয়া নিশ্চিত করতে চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন তৃনমূলের কাউন্সিলররা। সেদিক থেকে সংরক্ষিত হওয়ার জন্য অনেক সুরক্ষিত ওয়ার্ডকে বেছে নিতে শুরু করেছেন তৃণমূলের অনেক কাউন্সিলার। আর সেই সুরক্ষিত ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সেই ওয়ার্ডে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করায়, এখন একটি ওয়ার্ডে তৃণমূলের তিনটি পদপ্রার্থী দেখা গেল। সূত্রের খবর, পুরাতন মালদা পৌরসভার 12 নম্বর ওয়ার্ড থেকে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, পরিতোষ ঘোষ, প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ এবং সেই ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর শঙ্কু সিনহা।

জানা যায়, একসময় এই পরিতোষবাবু বিভূতিভূষণ বাবুকে হারিয়ে দিয়েছিলেন। আর এবার সেই তিনিই বিভূতিবাবুর যে ওয়ার্ডে দাঁড়ানোর ইচ্ছে, সেই ওয়ার্ডে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। কিন্তু কেন! জানা গেছে, পরিতোষ বাবু এতদিন যে ওয়ার্ডে দাঁড়াতেন, এবার সেই ওয়ার্ড সংরক্ষিত হয়ে গিয়েছে। তাই ভোটে লড়তে গেলে তাকে অন্য ওয়ার্ডে দাঁড়াতেই হবে। তাই সেদিক থেকে তিনি যাতে এই 12 নম্বর ওয়ার্ডে দাঁড়াতে পারেন, তার জন্য তিনি ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। তবে যেভাবে এই 12 নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর শঙ্কু সিনহা এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিভূতি ভুষণ ঘোষের মধ্যে এই ওয়ার্ডে টিকিট পাওয়া নিয়ে টানাটানি চলছে, তাতে মাঝে পরিতোষবাবুর নাম এসে পড়ায় এখন তৃণমূলের অন্দরে শুরু হয়েছে জল্পনা।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

ইতিমধ্যেই এই ওয়ার্ডে যদি তিনি টিকিট না পান, তাহলে তিনি নির্দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলেও হুশিয়ারি দিয়ে দিয়েছেন সেই পরিতোষ ঘোষ। যা নিয়ে আরও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এদিন এই প্রসঙ্গে পুরাতন মালদা পৌরসভার 13 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পরিতোষবাবু বলেন, “আমার ওয়ার্ড প্রাথমিক খসড়া তালিকা সংরক্ষণের আওতায় এসেছে। চূড়ান্ত তালিকায় কোনো পরিবর্তন না হলে 12 নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য দলকে প্রস্তাব দেব। ভোটে দাঁড়ালে মানুষ আমাকে ফিরিয়ে দেবে না, সেই বিশ্বাসযোগ্যতা আমার রয়েছে। পাঁচ বছর কেন, সব সময় মানুষের পাশে থাকি। সহজে রাজনীতির ময়দান থেকে সরছি না। প্রয়োজনে নির্দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।”

কিন্তু এই ব্যাপারে এই ওয়ার্ডের প্রার্থী হতে চাওয়া প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ কি বলছেন! এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচনে যে কেউ একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেন। তিনি কোথায় দাঁড়াবেন, সেটা আমি বলতে পারব না। আমি দলের সৈনিক। দলের হয়ে কাজ করছি।” কিন্তু যেভাবে একটি ওয়ার্ডে তৃণমূলের তরফে তিনজন প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন এবং তাকে টিকিট না দেওয়া হলে যেভাবে এক একজন হুঙ্কার ছাড়ছেন, তাতে তো এই ওয়ার্ড নিয়ে তৃণমূলের মাথাব্যথা চরম আকার নিতে পারে! শেষমেষ এই ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেবে দল!

এদিন এই প্রসঙ্গে পুরাতন মালদা শহর তৃণমূল নেতা নবরঞ্জন সিনহা বলেন, “ভোটে কে দাঁড়াবে, এনিয়ে শুধু আওয়াজ উঠেছে। এগুলো দলীয়ভাবে ঠিক করা হয়। এখন এই নিয়ে হৈচৈ করে লাভ হবে না। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেলে তারপর ছবিটা কিছুটা পরিস্কার হবে। তৃণমূল কংগ্রেসে নিজেদের ইচ্ছায় কিছু হয় না।” তবে শহর তৃণমূলের এই নেতা যে কথাই বলুন না কেন, যেভাবে টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের 3 নেতার মধ্যে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে, তাতে শেষপর্যন্ত কে জয়ী হন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের। তবে যিনি টিকিট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হলেন, তিনি পরবর্তী সিদ্ধান্ত কি নেন, তার দিকে আরও বেশি করে নজর রয়েছে গোটা রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!