এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উত্তাল উত্তর 24 পরগনা

ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উত্তাল উত্তর 24 পরগনা



উত্তরবঙ্গের সাথে এবার দক্ষিণবঙ্গেও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী বিবাদের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ থানার পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। এদিন রাজ্যের সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৭ নম্বর সংসদের বিজয়ী তৃণমূল কংগ্রেস সদস্য কিরণ আলে’র বাসভবনে একদল দুষ্কৃতি চড়াও হয় এবং ভাঙচুর সহ গুলি চালানোর অভিযোগ উঠলো।

কিরণবাবুর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসেরই বিরোধী গোষ্ঠী সন্তোষ চৌধুরীর অনুগামীরা মধ্য রাতে সশস্ত্র দুষ্কৃতী নিয়ে এসে তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে হামলা চালায়। তিনি একথাও বললেন যে দুষ্কৃতিদের মূল উদ্দেশ্য ছিলো তাঁকে হত্যা করা। তিনি পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কোনো গোপন শত্রুতাকে এই হামলার কারণ হিসেবে আন্দাজ করছেন। উল্লেখ্য সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেস দল বিজয়ী হয়। এই বছরে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদটি মহিলা সংরক্ষিত হয়েছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব সূত্রে খবর, কিরণবাবু ওই পঞ্চায়েতে উপপ্রধান হওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে মূলত এই পদের জন্যেই পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে গোষ্ঠী বিবাদ চরমে পৌঁছেছে এবং তা প্রকাশ্যে এসেছে। যার কারণেই কিরণ আলের বাড়িতে এদিনের দুষ্কৃতি হামলা। প্রসঙ্গত শনিবার ঐ এলাকায় রথের মেলার আয়োজন কে কেন্দ্র করেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তির সূত্রপাত হয়। শুধু তাই নয়, সন্তোষ চৌধুরী নাকি শনিবারই কিরণবাবুকে খুনের হুমকি দিয়েছিলেন বলে কিরণ আলে অভিযোগ করেছেন। তারপর গভীর রাতে এই দুষ্কৃতী হামলার ঘটনা ঘটে। এই দিনের ঘটনা প্রসঙ্গে কিরণ আলে খড়দহ থানার পুলিশকে সন্তোষ চৌধুরী ছাড়াও ফিরোজ, সোনাই এবং হরলিক্স নামে স্থানীয় কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের এই হামলার ঘটনায় প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রয়েছে জানিয়ে অভিযোগ করেন।

এদিনের গোটা ঘটনা প্রসঙ্গে কিরণ আলে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বললেন, ” সন্তোষের নেতৃত্বে এই দুষ্কৃতী-দল খড়দহ এলাকায় বারাকপুর-কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে বিভিন্ন ছোট বড় ব্যবসায়ী বা জমির মালিকদের থেকেও তোলাবাজি করছে। ওই গোষ্ঠীর হাতে এই পঞ্চায়েতের ক্ষমতা ছিল এত দিন। এবারে জয়ী অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যই আমার দিকে আছে। পঞ্চায়েতে ওদের রাজত্ব শেষ হতে চলেছে। এটা ভেবেই ওরা এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি খড়দহ থানার পুলিশকে সব জানিয়েছি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ওদের কঠোর শাস্তি চাই আমি। দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বকেও বিষয়টা জানিয়েছি।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!