এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > এবার কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপরেই কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের!

এবার কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপরেই কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের!



আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে প্রথম থেকেই নির্বাচন কমিশনের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করার আবেদন জানিয়েছে বিরোধী দলগুলো। আর সেইমতো রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্র ইতিমধ্যেই ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে শুরু করেছে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনী।

তবে কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে দেখা গেছে রাজ্যের শাসকদলের হেভিওয়েট নেতাদের। আর এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকতে না ঢুকতেই সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্তের কথা শোনা গেল জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের গলায়।

সূত্রের খবর, বুধবার থেকেই কোচবিহারের বিভিন্ন গ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রুটমার্চ করতে শুরু করেছে। জানা যায়, এদিন পানিশালার দলীয় কার্যালয়ে মিটিং করে কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের টহলদারি দেখতে পান। দেখা যায়, মায়ের কোলে সদ্যোজাত শিশুটি সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে হাত নাড়াচ্ছে। পাল্টা কাধের বন্দুককে নিচে নামিয়ে তাতে সাড়া দিচ্ছে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীদের জলের বোতল দিয়ে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন অনেক ব্যবসায়ীও। আর এইভাবে যখন কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের অনেক মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলার মাটিতে পা রাখায় শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার আশা দেখছেন, ঠিক তখনই সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজরদারি রাখার কথা শোনা গেল জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতার গলায়।

এদিন এই প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী অল্পসময়ের মেহেমান। ভোট মিটলেই তারা চলে যাবে। কিন্তু কোথাও এনিয়ে আতঙ্কের পরিবেশ যদি তৈরি হয় তাহলে আমরা গোটা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে জানাব। দলীয় কর্মীদের বলছি কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে আপনারা ভয় পাবেন না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির ওপর আমরাও নজর রাখছি।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!