এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করোনা ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে গতি আনতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার, জেনে নিন

করোনা ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে গতি আনতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার, জেনে নিন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – প্রায় ৬ মাস হতে চললো ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে জনজীবন স্তব্ধ হয়ে রয়েছে। সেইসঙ্গে সমগ্র ভারতের অর্থনীতি সহ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে পড়েছে এর প্রভাব। তাই এরকম পরিস্থিতিতে বর্তমানে ভ্যাকসিনের আবিষ্কার যে কতটা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ভারতে কিছুদিন আগে করোনা ভাইরাস-এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার-এর কথা প্রকাশ্যে এসেছিল। স্বভাবতই তারপর মানুষের মধ্যে একটা আশার আলো জাগে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কবে যে হাতে পেতে চলেছি এই ভ্যাকসিন সে খবর কিন্তু এখনও অধরা।

এরমধ্যে কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল রাশিয়া ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছে এবং সরকারিভাবে সেই ভ্যাকসিন টেস্ট-এর প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে জানা গিয়েছিল সেই ভ্যাকসিন নাকি ভারতসহ পাঁচটি দেশে পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হবে। তবে পরবর্তীকালে ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে গবেষকরা জানান যে, আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসটির কার্যকারিতাও কিন্তু পরিবর্তিত হয়।

সে ক্ষেত্রে ঠান্ডার দেশগুলিতে এর প্রভাব যা, সেই তুলনায় ভারতের মতো দেশগুলোতে এর কার্যকারিতা কম হওয়ার কথা। তাই রাশিয়ায় যে ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে, এ দেশেও যে সেটি একইরকমভাবে কার্যকরী হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এরপরই সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জন্মায় যে তাহলে এর পরিণতি কি হতে চলেছে। মানুষ কি করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবে? ভারতবর্ষ কি আদৌ শেষপর্যন্ত সফল হবে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করতে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সোমবার ভ্যাকসিন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি দেশের সেরা ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেছে।

এই বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল-সহ অন্যান্যরা। মোট পাঁচটি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে এই বিষয়ে কথা হয় কেন্দ্রীয় কমিটির। এই পাঁচটি সংস্থা হল হায়দরাবাদের সংস্থা বায়োলজিক্যাল, সেরাম ইনস্টিটিউট , জাইদাস ক্যাডিলা, জেনোভা বায়োফার্মাসিউটিক্যালস এবং ভারত বায়োটেক।

খবর পাওয়া যায়, ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল প্রায় শেষ হয়ে গেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। একই অবস্থা জাইদাস ক্যাডিলারও। তবে এই ভ্যাকসিন গুলো কিভাবে আরো তাড়াতাড়ি প্রস্তুত করা যায়, সেবিষয়ে কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। সঙ্গে ভ্যাকসিন প্রস্তুতিতে যাবতীয় সাহায্যের কথাও বলা হয়। তবে খুব শীঘ্রই যে এই পরিস্থিতি সামলে ওঠা যাবে, সেবিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী কেন্দ্র।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!