এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > আগামী আড়াই বছর প্রায় বিনা পয়সায় ইন্টারনেট পেতে পারেন কিভাবে? জেনে নিন

আগামী আড়াই বছর প্রায় বিনা পয়সায় ইন্টারনেট পেতে পারেন কিভাবে? জেনে নিন



বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে বাজারে পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার কোনো অভাব নেই। সাধারণ মানুষের পছন্দ এবং আয়ের নিরিখে হাজারও পরিবর্ত সামগ্রী। এই মুহূর্তে রাজ্যে এয়ারটেল-ভোডাফোন-আইডিয়া-জিও এই চারটি টেলিকম সংসস্থাই মোবাইলে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সবথেকে এগিয়ে। টেলিকম অ্যানালিষ্টদের মতে ভারতী এয়ারটেল এবং রিলায়েন্স জিও যে দামে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে, তাতে সারা বছরই ছাড় এবং নানা কারণেই নানা অফার চলতে থাকে – ফলে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য যে খরচ হচ্ছে তা প্রায় নগন্য, সোজা কোথায় বলতে গেলে মোবাইলে ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে প্রায় বিনা পয়সায়। অনুমান করা হচ্ছে আগামী আড়াই বছরও একই ভাবে টেলিকম সংস্থা গুলি এই ধারাবাহিকভাবে অফার পর্ব জারী রাখবে – ফলে এই সময়টাও একইরকম ভাবে প্রায় বিনা পয়সায় মোবাইলে ইন্টারনেট পেতেই পারেন।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

টেলিকম অ্যানালিস্ট রাজীব শর্মার মতে, বাজারে এখন এয়ারটেল ও জিও এই দুই সংস্থারই রমরমা বেশি। যদিও 4G পরিষেবার নামে সংস্থাগুলি গ্রাহকদের যে সুবিধা প্রদান করে তাকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখা যায়না – যেকোন ইউরোপের দেশ বা মার্কিন মুলুকের বা এশিয়ার উন্নত দেশগুলির সঙ্গে যদি তুলনা করা হয় তবে মোবাইল ইন্টারনেট স্পিড তার ধারেকাছেও আসবে না। তবে, টেলিকম পরিষেবার সহজলভ্যতা সাধারণ মানুষকে আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রযুক্তির কাছাকাছি আনছে – যে পরিমান মানুষ আজকাল স্মার্টফোন বা স্মার্টফোনের হাত ধরে ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ বা ইউটিউবের সোশ্যাল মিডিয়া বা বিনোদনের সাইটগুলিতে ঘোরাফেরা করছে আজ থেকে ৫ বছর আগেও সেটা ভাবা যেত না। অন্যদিকে, প্রাক্তন ভারতী এয়ারটেল সিইও সঞ্জয় কাপুরের দাবি করলেন যে তাঁর সংস্থাই একমাত্র জিওকে ছাপিয়ে যেতে পারে – ভোডাফোন ইন্ডিয়া ও আইডিয়া সেলুলার শীঘ্রই একসাথে কাজ শুরু করতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে, অল্প দিনের মধ্যেই সেই চুক্তি হবে। এখন এই চুক্তির ফলে জিও’র গ্রাহক মহলে কী প্রভাব পড়ে সেটাই দেখার। ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গিয়ে জিও, এয়ারটেল বা ভোডাফোন-আইডিয়া তাদের অফার জারি রাখবেই, যার ফায়দা সরাসরি যাবে সাধারণ মানুষের কাছে। ফলে আগামী আড়াই বছর অন্তত মোবাইলে ইন্টারনেট পেতে প্রায় কোনো খরচ করতেই হবে না – তাই মোবাইল ইন্টারনেটে ‘আচ্ছে দিন’ এসে গেছে বলাই যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!