এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > একুশে জুলাই নিয়ে মন্তব্য করে জল্পনা বাড়ালেন সিঙ্গুরের তাপসী মালিকের বাবা

একুশে জুলাই নিয়ে মন্তব্য করে জল্পনা বাড়ালেন সিঙ্গুরের তাপসী মালিকের বাবা



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ২১ জুলাই ধর্মতলা চত্বরে তৃণমূলের যে বার্ষিক স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়ে গেছে রাজ্য রাজনৈতিকমহলে। এবার সেই জল্পনাকে আরো একটু ইন্ধন জোগালেন সিঙ্গুরের তাপসী মালিকের বাবা। তিনি তৃণমূলের এই মহা জনসভায় যাবেন কিনা তা নিয়ে কার্যতই বেশ জল ঘোলা হচ্ছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তৃণমূলের দলীয় অন্দরের খবর থেকে জানা গেছে, প্রতি বছরই অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকদিন আগেই শহীদদের পরিবারকে আমন্ত্রণের মৌখিক পর্যায়টি সেরে রাখা হয়। তারপরই কর্মসূচির দু-তিনদিন আগে শহীদদের বাড়িতে পৌছে যায় আমন্ত্রণ পত্র। এ বছরও একইভাবে ২১-এর সভার জন্যে আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়াটি শুরু করা হয়েছে। চলছে চিঠির পাঠানোর কাজ। অপেক্ষায় রয়েছে তাপসী মালিকের বাবা মনোরঞ্জন মালিকও।

এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান যে এখনো প্রশাসনের তরফ থেকে তাঁর কাছে কোনো আমন্ত্রণ পত্র এসে পৌছায়নি। অন্যান্যবার ২১ জুলাই-এর দিন দুয়েক আগেই চিঠি পেয়ে যান তিনি। প্রসঙ্গে তিনি এবার নির্দল প্রার্থী হিসাবে পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন এ কথা উল্লেখ করা হলে তিনি সাফ কথায় জানিয়ে দেন যে ওটা সাময়িকভাবে তিনি করে ফেলেছিলেন। আদতে তিনি ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক’। সেদিন নেত্রী তাঁর পাশে ছিলেন বলেই তাঁরা প্রাপ্য সম্মানটুকু পেয়েছেন। একথা বলে তিনি জানান যে নেত্রীর জনসভায় তিনি এবং তাঁর পরিবার যাওয়ার জন্য উৎসুক। কিন্তু এখনো দলের তরফ থেকে তাকে কিছু জানানো হয়নি।

প্রসঙ্গত, চিরকাল তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোরঞ্জনবাবু নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। এবং জিতেওছেন। তারপর থেকেই তৃণমূলের নেতৃত্ববর্গ তাকে একরকম পাত্তাই দিচ্ছেনা। না তাকে কড়া ভাষায় দুটো কথা শোনানো হয়েছে না তাঁর সঙ্গে দলের তরফ থেকে কোনো যোগাযোগ রাখা হয়েছে। হঠাৎ করে নির্দল প্রার্থী হয়ে কেন দাঁড়ালেন তিনি? একথা জিজ্ঞাসা করা হলে জবাবে জানা যায়,তিনি তৃণমূলের হয়েই ভোটে লড়তে চেয়েছিলেন কিন্তু শাসকদের তরফ থেকেই তাকে ভোটের টিকিট দেওয়া হয়নি বলে বাধ্য হয়ে তাকে নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়াতে হয়েছে। তবে তৃণমূলের দলীয় অন্দরের খবর থেকে জানা যাচ্ছে, মনোরঞ্জন বাবুর আচরণ প্রথমে তৃণমূলনেতৃত্বদের ক্ষুব্ধ করলেও পরে সে বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বেশি মাথা ঘামাননি। হুগলি জেলার তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, পুরোটাই করা হয়েছে তাপসীর কথা ভেবে। সে কথা ভেবেই তৃণমূল কংগ্রস আর মনোরঞ্জনবাবুকে নিয়ে রাগ পুষে রাখেননি। তাপসীর জন্যেই তাঁর বাবাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য,এ বছরের২১ জুলাই তৃণমূলের শহীদ দিবসের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ১৩ জন শহীদের পরিবারকে এবার স্মৃতিকথনের ঢং-এ কিছু ভিডিও বানিয়েছে তৃণমূলে যুব কংগ্রেসের ওয়েব সেল। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কীভাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার পর,বামসরকারের চক্রান্তে ১৩ জনকে শহীদ হতে হয়েছিলো,সেই ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে ভিডিওতে। এছাড়াও রয়েছে তাঁদের মৃত্যুর পর তাঁদের পরিবার কীভাবে চলছে তার প্রমাণস্বরূপ কিছু তথ্য। সেগুলি সব সমাবেশের পর দলীয় ফেসবুক পেজে আপলোড করা হবে বলেই জানা যাচ্ছে রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!