এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > যুগান্তকারী রায়! স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রীর অধিকার আইনে এল নতুন বড়সড় পরিবর্তন! জেনে নিন

যুগান্তকারী রায়! স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রীর অধিকার আইনে এল নতুন বড়সড় পরিবর্তন! জেনে নিন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – কোনো একটি সমাজে নারীর অবদান পুরুষের থেকে কোন অংশে বেশি বৈ কম নয় বলেই মনে করেন অনেকে। সন্তান উৎপাদন থেকে পালন থেকে শুরু করে নারীর মধ্যে যে প্রকৃতির সমস্ত শক্তি লুকিয়ে আছে সে কথা শাস্ত্রে উল্লেখ করা আছে। শুধু তাই নয়, কোনও নারী যদি তাঁর ক্ষমতার সঠিক উপলব্ধি করতে পারে তবে তাঁর পক্ষে জগতের কোনো রহস্য উদঘাটনই যে অসম্ভব নয়, সে কথাও জানা যায় শাস্ত্র থেকে।

অনন্ত শক্তির আধাররুপিনী নারীদের তাই সমাজে স্থান সকলের উপরে হওয়া উচিত বলেই মনে করেন অনেকে। তবে বস্তুত সমাজে বর্তমানে নারীদের অবস্থান নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নারীবাদের কথায় যতই নারী-পুরুষ সমান সমান এ কথা বলা হোক না কেন, প্রতিনিয়ত নারীদের অপমান অবমাননা প্রমাণ করে দেয় আদপে নারীস্থান সমাজে ঠিক কোথায়।

অত্যাচার, গার্হস্থ্য হিংসা, পড়াশুনা থেকে বঞ্চিত করার মত এমন অনেক খবরই প্রতিনিয়ত পাওয়া যায়। আর তাই থেকেই বোঝা যায় মানুষ যতক্ষণ না নিজের মনে নারীকে সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছাতে পারছে, ততদিন সমাজে নারীর স্থান কোনমতেই উঁচু জায়গায় যেতে পারে না।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত মেয়েদের উপর হওয়া ধর্ষণ বিবাহ পরবর্তী ধর্ষণ এবং গার্হস্থ্য অত্যাচারের অনেক ঘটনা লক্ষ্য করা যায়। সেইসঙ্গে বর্তমানে বহু মেয়ে সেই অত্যাচারের প্রতিবাদ করে সংসার ছেড়ে আলাদা চলে আসলেও স্বামীর সম্পত্তির অধিকার দাবি করতে পারেন না। কিন্তু সম্প্রতি একটি রায়ে সুপ্রিম কোর্ট মেয়েদের সেই অধিকার দিয়েছে বলে জানা গেছে।

কিছুদিন আগে সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি তরুণ বাত্রা এবং তাঁর নেত্রাধিন দুই সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ, একটি মামলায় রায় দিতে গিয়ে বলেছিলেন যে, স্বামীর পিতার সম্পত্তির উপর স্ত্রীর অধিকার নেই। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের এই রায় সম্প্রতি খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অশোক ভুষণ এবং তাঁর তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আইনকে মান্যতা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিন ঐতিহাসিক এই নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আরো জানা যায় যে ফৌজদারি আদালত গার্হস্থ্য নির্যাতন আইনের অধীনে একজন বিবাহিত মহিলাকে তার বাসস্থানের অধিকার দিতে পারে। এমনকি দেওয়ানী আদালত এর বিপরীত রায় দিলেও ফৌজদারি আদালত কিন্তু এই ভাবে কাজ করতে পারবে।

বস্তুত এই রায়ের কারণ হিসাবে বলা হয় যে, সমাজে মহিলাদের অবদান নারীদের অধিকার এবং সম্মানের বিষয় গুরুত্ব আরোপ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ২০০৫ সালের গার্হস্থ্য নির্যাতন সংক্রান্ত আইনেও এই একই বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!