এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বড়সড় উপহার দেশবাসীকে? ভারত জুড়ে চালু হবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন?

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বড়সড় উপহার দেশবাসীকে? ভারত জুড়ে চালু হবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – জনসংখ্যার নিরিখে ভারত এই মুহূর্তে পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। এখনো পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে 1.353 বিলিয়ন। চীনের পরেই ভারতের স্থান। বিশেষজ্ঞদের মতে, রীতিমতো জনবিস্ফোরণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে ভারত। আর কয়েক দশক পরে ভারতবর্ষে কোন ফাঁকা জায়গা পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। অন্যদিকে ক্রমাগত জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বেড়ে চলেছে অভাব-অভিযোগ। তার সাথেই শুরু হচ্ছে খাদ্যাভাব।

এখন থেকেই এই চরম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করতে না পারলে আগামী দিনে ভবিষ্যৎ আরও বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। আর এই সূত্রে বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বহু আগেই। এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা আগামী 14 ই আগস্ট। কিন্তু তার আগেই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি জানিয়ে এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে আবেদন রাখলেন বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়।

একটি চিঠির মাধ্যমে ুশ্বিনী তাঁর বক্তব্য জানান। অশ্বিনীর মতে, বর্তমান সময়ে ভারতে যেভাবে জনসংখ্যা দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে তা কিন্তু বোমা বিস্ফোরণের থেকেও অনেক বেশি বিপজ্জনক। আর তার জন্যই তিনি সিভিল কোড লাগু করার দাবি জানিয়েছেন। চিঠিতে অশ্বিনী উপাধ্যায় জে পি নাড্ডাকে সম্বোধন করে তাঁর মনোযোগ জনসংখ্যা বিস্ফোরণের দিকে আকৃষ্ট করতে চেয়েছেন। তার সাথেই অশ্বিনী আরোও জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টে তাঁর করা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি জানিয়ে যে আবেদন করা হয়েছে, তা এ বছরের 10 জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়কে নোটিশ জারি করেছিল।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

তবে এই মামলার শুনানি আগামী 14 ই আগস্ট হতে চলেছে বলে উপাধ্যায় জানিয়েছেন। অন্যদিকে তিনি আরো লিখেছেন চিঠিতে,ভারতের বুকে স্বচ্ছ ভারত, সুস্থ ভারত, স্বাক্ষর ভারত, সম্পন্ন ভারত, সমৃদ্ধ ভারত, সবল ভারত, শক্তিশালী ভারত, সুরক্ষিত ভারত, স্বাবলম্বী ভারত, সংবেদনশীল ভারত, দুর্নীতি এবং অপরাধমুক্ত ভারত বানানো অসম্ভব যদি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন লাগু করা না হয়। তবে বিজেপির চেনা ছকে এদিন অশ্বিনী উপাধ্যায়ও তাঁর চিঠিতে বলেছেন, ভারতকে রামরাজ্যে পরিণত করতে গেলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরী।

বলা হচ্ছে, বিশ্বের মোট যা জমি, তার মাত্র 2% রয়েছে ভারতে। কিন্তু বিশ্বের মোট জনসংখ্যার 16% ই বাস করে এই ভারতে। ভারত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হয়েছে বহুদিন আগে থেকেই। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর থেকেও বিভিন্ন ভাবে প্রচার চালানো হয় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়াতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার চলতে থাকলে স্থানীয় প্রশাসন থেকে দেশের সরকার কেউ বাদ যাবেনা জনবিস্ফোরণের কুপ্রভাব থেকে। কারণ জনসংখ্যা যত বাড়বে ততই বাড়বে বেকারত্ব, অশিক্ষা এবং খাদ্য সংকট তো আছেই। তাই এবার দেখার জন্মনিয়ন্ত্রণ আটকাতে সুপ্রিম কোর্ট কোন বিশেষ আইন লাগু করেন কিনা!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!