এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > খেজুরি গেলে নন্দীগ্রামও ধরে রাখা সম্ভব নয়, শুভেন্দুর কথায় রাজনৈতিক জল্পনা চরমে

খেজুরি গেলে নন্দীগ্রামও ধরে রাখা সম্ভব নয়, শুভেন্দুর কথায় রাজনৈতিক জল্পনা চরমে



শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ২০১০ সালে বামেদের হাত থেকে খেজুরি চলে আসে রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। আর এরপর থেকেই ২৪ নভেম্বর খেজুরিতে পালিত হয়ে আসছে হার্মাদমুক্ত দিবস। আর তাই খেজুরির বাঁশগোড়াতে হার্মাদমুক্ত দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এসে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে খেজুরিকে আবারও বিরোধীশূন্য করার বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এদিন বলেন, হলদিয়া পৌরসভার কায়দায় আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে। ঝাড়ে বাঁশ রক্ষা করেই তৃণমূল জিতবে। এলাকার ১১টি পঞ্চায়েত, ২টি পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ সবই বিরোধীশূন্য হবে।
তবে তিনি এর সাথে বলেন, হার্মাদ বাহিনী যাতে গেরুয়া জামা পরে ঢুকে পড়তে না পারে সেটা দেখুন। ওরা জানে সিপিএম ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই হার্মাদরা এখন জামা বদলেছে। গেরুয়া জামা পরে আবার সেই লক্ষ্মণ শেঠকে নিয়ে যাতে না ঢুকে পড়তে পারে তা দেখতে হবে আপনাদের, সতর্ক থাকুন। ঢুকতে চাইলে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। ওদের হাতে খেজুরি গেলে নন্দীগ্রামও ধরে রাখা সম্ভব নয়। আবার সেই রক্তাক্ত দিন ফিরে আসবে, অধিকার হারাবে মানুষ। তাই, ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। আর শুভেন্দুবাবুর মুখে এই কথা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। কেননা মুকুল রায় বিজেপিতে গিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের আরেক গড় সিঙ্গুরে ভাঙ্গন ধরিয়েছেন, আর তাই কি তৃণমূলের তরুণ তুর্কির মুখে শাসকদলের আরেক গড় নন্দীগ্রাম হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা?

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!