এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > শুভেন্দু নাকি অভিষেক! বাংলার যুবসমাজ কার দিকে!

শুভেন্দু নাকি অভিষেক! বাংলার যুবসমাজ কার দিকে!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – তৃণমূল কংগ্রেসের একসময় যুব সংগঠনের পালে যারা হাওয়া দিয়েছিলেন, সেই শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সৌমিত্র খাঁ আজ ভারতীয় জনতা পার্টিতে। একা গড় রক্ষা করতে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড যুব তৃনমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার যুব সমাজ কোন পক্ষ অবলম্বন করবেন! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে থাকবেন, নাকি শুভেন্দু অধিকারী সেই যুবসমাজকে নিজেদের দিকে টানতে সক্ষম হবেন! তা নিয়েই এখন চর্চা ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই এই যুবদের সমর্থন নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

একাংশ বলছেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারী বা সৌমিত্র খাঁ নয়, অনুপম হাজরা থেকে শুরু করে সব্যসাচী দত্ত, শঙ্কুদেব পণ্ডার মত তৃণমূলের দাপুটে নেতারা এখন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। স্বাভাবিকভাবেই এককালে যারা তৃণমূল কংগ্রেসে থেকে সংগঠন করেছিলেন, তারা এখন বিজেপিতে চলে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্রমাগত আক্রমণ করায় অভিষেকবাবু একা যুব সংগঠনকে কি করে রক্ষা করবেন, সেটা অনেকের কাছেই সংশয়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আর সেদিক থেকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা যুবসমাজের ভোট যে তৃণমূল থেকে বিজেপি প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছেই অত্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে উঠতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যেই বিজেপির পক্ষ থেকে কর্মসংস্থান সহ একাধিক বিষয়ে তৃণমূলের অপদার্থতার কথা তুলে ধরে আক্রমণ করা হচ্ছে। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ময়দানে নেমে নিজের টিমকে নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন। গত 9 বছরে তারা যুবসমাজের জন্য অনেক কাজ করলেও, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কোনো কাজই করেনি বলে দাবি করতে দেখা যাচ্ছে তাকে।

একাংশ বলছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতিতে অনেকটাই কাঁচা খেলোয়াড়। সেদিক থেকে শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে শঙ্কুদেব পণ্ডার মত নেতারা যখন বিরোধী শিবিরে রয়েছেন, তখন তারা যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং পরিণত। তাই তারা যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘুম উড়িয়ে দিতে অনেকটাই সক্ষম হবেন, সেই ব্যাপারে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। তবে বিজেপির এই দাবিকে অবশ্য মানতে নারাজ তৃনমূলের কংগ্রেস।

তবে যে যাই বলুন না কেন, বাংলার যুব সমাজের সমর্থন কাদের দিকে থাকবে, তা আগামী নির্বাচনের ভোটবাক্স খোলার পরই পরিষ্কার হয়ে যাবে। গত 9 বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের যে কাজকর্ম, তা দেখে যুব সমাজের প্রতিনিধিরা তৃণমূলকে সমর্থন করবেন, নাকি আগামীদিনে ক্ষমতায় আসলে বিজেপি যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিতে শুরু করেছে, তাতে গেরুয়া শিবিরের দিকে পা বাড়াবেন তারা! পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এটা আসলে শুভেন্দু অধিকারী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আগামী নির্বাচনে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে লড়াই হবে, এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সেই লড়াইয়ের মধ্যেও নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে শুভেন্দু অধিকারী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে যথেষ্ট তৎপর, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেদিক থেকে নির্বাচনে কোন দল সাফল্য পাবে, তা যেমন দেখার বিষয়, ঠিক তেমনই সেই ভোটবাক্স খোলার পরই পরিষ্কার হয়ে যাবে শুভেন্দু অধিকারী নাকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন! অনেকে বলছেন, বর্তমানে শুভেন্দু অধিকারী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একে অপরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি নিয়ে সরব হতে শুরু করেছেন।

তবে তারা দুজনেই স্বচ্ছ, এমনটা মানতে নারাজ বিশ্লেষকরা। কেননা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে যেমন একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ঠিক তেমনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলতে দেখা যায় বিরোধীদের। তাই এই পরিস্থিতিতে বাংলার যুব সমাজ আগামীদিনে তৃণমূল-বিজেপি অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারী বনাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ে কার পক্ষ নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!