এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > “বেইমান” অধীর চৌধুরীকে হারাতে মুর্শিদাবাদে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার অঙ্গীকার শুভেন্দু অধিকারীর

“বেইমান” অধীর চৌধুরীকে হারাতে মুর্শিদাবাদে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার অঙ্গীকার শুভেন্দু অধিকারীর



একদা কংগ্রেস গড় হিসেবে পরিচিত অধীর রঞ্জন চৌধুরীর খাসতালুক মুর্শিদাবাদে অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে হারাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদ জেলার দলীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। আর দলীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়েই সেই মুর্শিদাবাদ জেলায় ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছেন শুভেন্দুবাবু। একাধিকবার জেলায় এসে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা গেছে তাঁকে।

আর এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার বহরমপুরের ওয়াইএমএ মাঠে আয়োজিত মিনি ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে সেই অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুর্শিদাবাদ জেলার তৃণমূল পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সূত্রের খবর, এই সমাবেশে উপস্থিত হয়ে কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে “বেইমান” বলে আখ্যা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুর্শিদাবাদ জেলায় সিপিএমের হাতে কংগ্রেসের সাড়ে পাঁচ হাজার কর্মী খুন হয়েছেন। অধীরবাবু নিজে জেতার জন্য সেই সমস্ত খুনি সিপিএমের হাত ধরেছেন। তাই সেই অধীর চৌধুরীকে হারানোর সমস্ত দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধে তুলে নিলাম। আমি এখানকার ভোটের আগে শেষ 7 দিন বহরমপুরের মাটি কামড়ে পড়ে থাকব।”


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে এদিনের এই মিনি ব্রিগেড থেকে সিপিএম ও বিজেপির সঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর যোগ নিয়েও মুর্শিদাবাদের একদা এই রবিনহুডকে কটাক্ষ করেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “ওরা সিপিএমের সঙ্গে সমঝোতা করে চলত বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল গড়েছিলেন। নিজে জেতার জন্য যে সমস্ত কংগ্রেস কর্মীকে খুন করে সিপিএমের হাত ধরেছেন অধীর চৌধুরী, আজকে সেই সমস্ত সন্তানহারা মায়েরা বলছেন, হায়রে কংগ্রেস এসব দেখার জন্য কি আজও বেঁচে আছি! এর পরে হয়তো যোগী আদিত্যনাথের বেস্ট ফ্রেন্ড অধীর চৌধুরী বিজেপির হাত ধরে বলবে, আমার হাত ধরে তুমি নিয়ে চলো সখা আমি তো পথ চিনি না।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বহরমপুরে তৃণমূলের এই ব্রিগেড সমাবেশে শাসকদলের প্রায় প্রত্যেকটি নেতার মুখে তীব্র বাক্যবাণের মূলেই ছিল কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী। মূলত আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কংগ্রেস মুক্ত করতেই এদিন অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে কড়া ভাষায় বিধলেন তৃনমূলের নেতারা বলে মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!