এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অখিল গিরির পর পর আক্রমণ, সাংসদের শুভেন্দুর মান ভাঙানোর চেষ্টা? দ্বন্দ্ব তৃণমূলের অন্দরেই?

অখিল গিরির পর পর আক্রমণ, সাংসদের শুভেন্দুর মান ভাঙানোর চেষ্টা? দ্বন্দ্ব তৃণমূলের অন্দরেই?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যেভাবে জলঘোলা হতে শুরু করেছে, তাতে আদৌ শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী দলে থাকবেন নাকি দল ছাড়বেন সেই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে দল দুভাগে ভাগ হয়ে গেছে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

তাঁদের মতে, দলের কিছুজন চাইছেন তিনি দলে থাকুন, আবার অন্য এক দলের কার্যকলাপে মনে করা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর দলে থাকা নিয়ে কিছু মানুষ খুব একটা খুশি নন। কারণ কিছুদিন আগে যেখানে সৌগত রায় এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেন্দু অধিকারীর মান ভাঙানোর চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছিল, সেখানে আবারও অখিল গিরির পরপর আক্রমণ নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত এর আগেও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে ফিরহাদ হাকিমকে শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষে নাম জড়াতে দেখা গিয়েছিল। আর সেখানেই আবার নতুন করে যোগ দিলেন অখিল গিরি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর দল ছাড়ার জল্পনা যখন তুঙ্গে, তখন বৃহস্পতিবার সমবায় সমাবেশ থেকে পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে “আমি এখনও একটা দলের প্রাথমিক সদস্য। মন্ত্রিসভার সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী আমায় তাড়াননি আমিও ছাড়িনি।”

আর এরপরই নতুন করে জল্পনা শুরু হয় যে, তাহলে নিশ্চয়ই তিনি দলে থাকছেন। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর মত একজন ব্যক্তিত্বের দল ছেড়ে যাওয়া তৃণমূলের ক্ষেত্রে খুব একটা সুখপ্রদ হবে বলে মনে করেননি অনেক বিশ্লেষকরা। তাই বারবার তাঁকে দলে রাখার কথা বলা হয়েছিল। আর তাঁর কথায় একদিকে একটু আশা দেখেছিল তৃণমূল।

তবে এরই মাঝে শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, শুভেন্দুর দলে থেকেই বা কি আর না থেকেই বা কি! শুভেন্দুর দলে থাকা আর না থাকা দুটোই সমান বলে মনে করছেন তিনি। তাঁর কথায়, কোনও কাজই সে করে না। অনেক শুভেন্দুই রয়েছেন দলে। তাই দলনেত্রীই শেষ কথা বলেই তাঁর মত। আর এই কথার পরই একদিকে যেখানে তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা চলছে সেখানে নতুন করে তাঁকে নিয়ে দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের প্রকাশ পেয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!